রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল, নজর সাগরের নিরাপত্তায়: মির্জা ফখরুল

দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে এসেছে এবং সরকার একে একটি টেকসই স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যেতে চায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

বুধবার (৬ মে) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক স্বাধীন ও অরাজনৈতিক কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’-এর সঙ্গে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জ্বালানি সেক্টর দেশের অন্যতম বড়ো সমস্যা। এই সঙ্কট সমাধানে সরকার এনার্জি সেভিংস এবং সোলার এনার্জির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে গ্যাস উত্তোলনের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। 

তিনি আরও জানান, দেশি-বিদেশি সব উৎস ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে এবং অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এই সঙ্কট এখনও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার সবার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা জোরদার করাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যাকে দেশের অন্যতম বড়ো আপদ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে চায়।

সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহাদি আমিনও অংশ নেন। আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেশে বর্তমানে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। 

প্রধানমন্ত্রীর নানা উদ্যোগে জনগণের মনে স্বস্তি ফিরেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের পরিবেশ অনুযায়ী কিভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্থিতিশীল।

মাহাদি আমিন আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করছে। দীর্ঘদিন পর সংসদ এখন প্রাণবন্ত। মানবাধিকার মেনে এবং সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।