টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৩ রানে হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস।
রোববার (৬ নভেম্বর) ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার মরণ-বাঁচন ম্যাচ। এই ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরে পাঁচ ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা এখন শূন্যের কোঠায়।
তবে নেদারল্যান্ডসের জয়ের ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন সেমিফাইনালে খেলার সত্যিকারের সুযোগ। পাকিস্তানকে হারাতে পারলেই টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ স্পর্শ করবে নতুন উচ্চতা।
একই পরিস্থিতি পাকিস্তানেরও। টানা দুই হারের টুর্নামেন্ট শুরুর পর দলটির সামনে এখন শেষ চারে যাওয়ার হাতছানি। বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতলেই মিলবে সেমিফাইনালে যাওয়ার টিকেট।
চলতি বিশ্বকাপ থেকে আগেই বিদায় নিশ্চিত করেছিল নেদারল্যান্ডস। তাই তাদের কাছে লিগের শেষ ম্যাচটি ছিল নিছক নিয়মরক্ষার। তবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে তাদের সঙ্গে নিয়েই বিদায় নিলো তারা।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাভুমা। ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডসের কোনও ব্যাটারই খুব বড় রান না পেলেও দলগত চেষ্টাতেই দেড়শো রানের গণ্ডি পার করে তারা।
নেদারল্যান্ডসের চার উইকেটে ১৫৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে আট উইকেটের বিনিময়ে ১৪৫ রানে আটকে যায়। ১৩ রানে ম্যাচ জেতে নেদারল্যান্ডস।
নেদারল্যান্ডসের পক্ষে ওপেনার স্টিফেন মাইবার্গ ৩০ বলে ৩৭ রান করেন। অন্য ওপেনার ম্যাক্স ও’ডাউডের ব্যাট থেকে এল ৩১ বলে ২৯ রানের ইনিংস। তিন নম্বরে নেমে আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করলেন টম কুপার। তার ১৯ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে রয়েছে দু’টি করে চার এবং ছয়।
চার নম্বরে নামা কলিন অ্যাকারমান খেললেন দায়িত্বশীল ইনিংস। ২৬ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তার সঙ্গে ২২ গজে ছিলেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। সাত বলে ১২ রান করেন তিনি।
১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধান উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই ওপেনার কুইন্টন ডি’কক এবং বাভুমা দ্রুত ফেরার পরেই চাপ তৈরি হয়। সেই চাপ ম্যাচের শেষ পর্যন্ত সামলাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা।
শেষ পর্যন্ত কাগিসো রাবাদা এবং নখিয়া উইকেটে থাকলেও দলকে জেতাতে পারেননি।
একাত্তর/এসজে