জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে ফিরলো বাংলাদেশ

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

প্রথম ম্যাচের পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে টাইগাররা। ফলে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে শেষ ও তৃতীয় ম্যাচে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। 

জবাবে ১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ফলে ৩৪ রানের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

প্রথম ম্যাচে ৩২ রানের পরাজয়ের পর সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। সেই চাপের ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স দেখিয়ে স্বাগতিকদের হারায় টাইগাররা।

এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরেছে। এখন আগামী রোববার একই মাঠে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেই নির্ধারণ হবে সিরিজের ভাগ্য।

বাংলাদেশ একাদশ: তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, ইয়াসির আলি চৌধুরি, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, টাডিওয়ানাশে মারুমানি, ডিওন মেয়ার্স, রায়ান বার্ল, মিল্টন শুম্বা, ক্লাইভ মাডান্ডে, তাশিঙ্গা মুসেকিয়া, ব্রাড ইভান্স, ব্লেসিং মুজারাবানি ও রিচার্ড এনগারাভা।

এআরএস
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসানের ফিফটিতে ইনিংসের শক্ত ভিত গড়ে সফরকারীরা।
বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে সফরকারী বাংলাদেশ দল।
ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে জয় পেয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেই আত্মবিশ্বাস টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতে কাজে লাগাতে পারেনি টাইগাররা।
বুধবার বুলাওয়ায়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেলো ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও ভাইরাসজনিত এই রোগের উপসর্গ নিয়ে ৭৮০ জনের মৃত্যু হলো।
টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
গত দুই বছরে বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর