সুপার লিগ: শীর্ষ দশে সাকিব-মিরাজ, সর্বোচ্চ উইকেট জাম্পার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের সুপার লিগ পর্বে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার এডাম জাম্পা। বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ দিয়ে সদ্যই শেষ হয় সুপার লিগ।

সুপার লিগে উইকেট শিকারে তালিকায় শীর্ষ দশের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান মিরাজ।  

১৮ ম্যাচে ১৮ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪১ উইকেট নেন জাম্পা। তার বোলিং গড়- ১৯.৭৩। তিনবার ইনিংসে ৪ উইকেট ও একবার ইনিংসে ৫ উইকেট নেন তিনি। ৩৫ রানে ৫ উইকেট ইনিংসে সেরা বোলিং জাম্পার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে কেয়ার্নসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০ উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আকিল হোসেন। ৩৪ উইকেট শিকার করে তালিকার তৃতীয়স্থানে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি জোসেফ।

সুপার লিগে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩১ উইকেট নেন সাকিব। তালিকার ষষ্ঠস্থানে আছেন তিনি। তার বোলিং গড়- ২৪.০৩। দুইবার ইনিংসে ৪ উইকেট ও একবার ইনিংসে ৫ উইকেট নেন তিনি। ২০২১ সালের জুলাইয়ে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব। এটিই তার সেরা বোলিং ফিগার।

২২ ইনিংসে ৩০ উইকেট নিয়ে এই তালিকায় নবমস্থানে আছেন মিরাজ। ইনিংসে তিনবার চার উইকেট নেন তিনি।

বিশ্বকাপ সুপার লিগে শীর্ষ দশ বোলার- 

বোলার    ম্যাচ    ইনিংস    রান    উইকেট    সেরা বোলিং

এডাম জাম্পা (অস্ট্রেলিয়া)    ১৮    ১৮    ৮০৯    ৪১    ৫/৩৫

আকিল হোসেন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)    ২৩    ২৩    ৯৫৭    ৪০    ৪/৩৯

আলজারি জোসেফ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)    ২২    ২২    ৮৯৭    ৩৪৪    ৩/৩৬

ক্রেইগ ইয়াং (আয়ারল্যান্ড)    ২১    ১৯    ৯৭৭    ৩২    ৪/১৮

জশ লিটল (আয়ারল্যান্ড)    ২১    ১৯    ১০১৩    ৩২    ৪/৩৯

সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)    ২০    ১৯    ১০৬৮    ৩১    ৫/৩০

রশিদ খান (আফগানিস্তান)    ১৫    ১৪    ৫৫৭    ৩০    ৪/২৯

ব্লেসিং মুজারাবানি (জিম্বাবুয়ে)    ১৮    ১৮    ৯৫০    ৩০    ৫/৪৯

মেহেদি হাসান মিরাজ (বাংলাদেশ)    ২৩    ২২    ১০৫৭    ৩০    ৪/২৫

হারিস রউফ (পাকিস্তান)    ১৮    ১৮    ৯১২    ৩০    ৪/৬৫

উল্লেখ্য, জুলাই ২০২০ থেকে শুরু হয়ে মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত চলেছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগ। যা ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের কাজ সম্পন্ন করেছে। বিশ্বকাপের জন্য শীর্ষ ৭টি দল ও ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক দল ভারতসহ মোট ৮টি দল স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা অর্জন করবে। বাকি পাঁচটি দল, অনির্ধারিত সংখ্যক এসোসিয়েট সদস্য দলের সাথে বাছাইপর্ব খেলবে। সেখান থেকে মাত্র দুটি দল ফাইনাল প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। 

 

একাত্তর/আরবিএস