কোচ পেপ গার্দিওয়ালার অধীনে ম্যানচেষ্টার সিটি লিগ শিরোপা থেকে শুরু করে এফএ কাপ, সব কিছুই পেয়েছে। তবে আক্ষেপ আছে মহাদেশীয় সেরা হবার। সবচেয়ে অভিজাত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে একবার খেলার সুযোগ পেলেও, শিরোপা জেতা হয়নি সিটি।
সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ আবারও তাদের সামনে। এমন সময়ে সেই সুযোগ এলো, যখন ম্যান সিটির রয়েছে গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ড। তার নৈপূণ্য কোচ গার্দিওয়ালার অনেক কাজ সহজ করে দিয়েছে। জিতেছে প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপের ট্রফি। এখন অপেক্ষা ট্রেবল জয়ের।
শনিবার দিবাগত রাত ১টায় ইস্তানবুলে চ্যাম্পিয়ন লিগ ফাইনালে সিটির প্রতিপক্ষ ইন্টার মিলান। আর এই ফাইনালে যে হাল্যান্ডকে বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে, সেটা তার কথাতেও পরিস্কার। তিনি বলেন, অবশ্যই চাপবোধ করছি। না বললে মিথ্যা বলা হবে। তবে এসব নিয়েই খেলতে হয়।
নরওয়ের এক ফরোয়ার্ড বলেন, আমি আসার আগে ওরা প্রিমিয়ার লিগ টানা দুইবার জিতেছে। তারা ভালো করে জানে প্রিমিয়ার লিগ কীভাবে জিততে হয়। শুধু একটি ট্রফি তাদের মিসিং- চ্যাম্পিয়নস লিগ। ফলে আমি এখানে একটা কারণেই এসেছি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সিটির অপ্রতিরোধ্য যাত্রায় বড় অবদান ২২ বছর বয়সীর। ১২ গোলে এবারের সর্বোচ্চ স্কোরারও তিনি। ইংল্যান্ডের প্রথম মৌসুমটাও ছিলো রেকর্ডময়। কিন্তু শেষ সাত ম্যাচে গোল মুখে সেই তেজটা দেখা যায়নি। মাত্র একটি গোল করতে পেরেছেন।
অন্যদিকে, ইন্টার মিলানে ফাইনালে তোলা লাউতারো মার্তিনেজ আছেন দারুণ এক রেকর্ডের সামনে। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলে বিরল এক ডাবলের স্বাদ পাবেন তিনি। তাই মার্তিনেজ আগুনে ফর্ম নিয়ে ফাইনালে খেলতে নামবেন।
তিনি বলেন, আমার মনে হয় বিশ্বকাপ আর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল- ক্যারিয়ারে এই দুটি ফাইনাল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মূল পার্থক্য হলো জার্সির পরিবর্তন। তাতে উত্তেজনা একই রকম থাকে, ইচ্ছেটাও থাকে একই রকম। পুরো বছর পরিশ্রমের ফসল বলা চলে।
২৫ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন আরও বলেন, মৌসুমটা ইতিবাচক ছিলো আমার জন্য। ছয় মাস আগে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছি। এখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি। যেভাবে মৌসুমটা কাটিয়েছে তাতে আশা করছি সম্ভাব্য সেরা উপায়ে শেষটা করতে পারবো।
একাত্তর/আরবিএস