তামিম চাইলেও বিশ্বকাপে জাতীয় দলের মেন্টর হতে মাশরাফীর কোনো উচ্চাভিলাষ নেই। একটা ব্যাপার পরিষ্কার ম্যাশকে নিয়ে বিসিবি কর্তাদের এক প্রকার প্রচ্ছন্ন অনীহা আছে। মাশরাফীর মতো ক্যারেক্টারের কাছে সম্মানটা সবকিছুর আগে। তবে কল যদি হয় প্রধানমন্ত্রীর, সেটা ভিন্ন বিষয়।
জাতীয় দলের সফলতম অধিনায়ক, সংসদ সদস্য, আইকন মাশরাফী একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে এলেন বাইকে চেপে অনেকটা বৃষ্টিতে ভিজে।
মাশরাফীদের জীবন এমনই। সাধারণের আইকনরা যেভাবে গড়ে ওঠেন। ক্রিকেট ছেড়েও ম্যাশ আলোচনায়, বিশ্বকাপে মেন্টর হবেন কিনা সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বড়ই অনীহা।
খেলাযোগের একের পর এক চেষ্টা ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাসটিকের মনোভাব বোঝার। একটা ব্যাপার পরিষ্কার, আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে দলে ঢুকতে চান না দি বেস্ট ওডিআই ক্যাপ্টেন। তবে লাস্ট কল যদি হয় প্রধানমন্ত্রীর, মাশরাফীর জন্য তা অলঙ্ঘনীয়।
আরও পড়ুন: আরও এক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলা হচ্ছে না তাসকিনের
তামিম ম্যাশকে যেভাবেই হোক দলে চান। অথচ ইনজুরি রিহ্যাব, অবসর ফিরে আসা সব মিলে তামিম নিজেই চাপে। ম্যাশের চোখে অনেকটা দুর্বল তামিম একই সাথে ভাগ্যবানও।
মাশরাফী ভাব না থাকলেও সম্মানবোধ আছে... মেন্টরশিপের চেয়ে সম্মানটাই বড়।
একাত্তর/আরএ