১৭ জনের দলের ১১ জনেরই নেই বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা

১৭ জনের দলের ১১ জনেরই বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু বাংলার কাপ্তান যখন সাকিব আল হাসান তখন সবাই হতে পারেন নির্ভার। কারণ এবারের বিশ্বকাপে সাকিব নামে, ভারে, অভিজ্ঞতা আর পারফর্ম্যান্সে সবার ওপরে। ২০২৩ সাল নিয়ে স্বপ্নের কথা আগেই শুনিয়েছেন। এবার সেই যাত্রা শুরুর অপেক্ষা।

বাংলাদেশ ভাগ্যবান, বিশ্বকাপে লাল সবুজের ঝান্ডা ওড়াবেন যিনি তার নাম সাকিব আল হাসান। এবার ভারতে খেলবেন বিশ্বের যত ক্রিকেটার সবার চেয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে টাইগার কাপ্তানেরই যে সবচেয়ে বেশি রান। বাংলাদেশ সত্যিই ভাগ্যবান। কারণ এবারের আসরে যারা খেলছেন তাদের মধ্যে সাকিবই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা অলরাউন্ডার।

আপনি জানেন কি? এবার ভারতে যারা বিশ্বমঞ্চ মাতাতে যাচ্ছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার আমাদের সাকিব আল হাসান। সব মিলে মি. সেভিন্টি ফাইভ, বাংলার নতুন কাপ্তান বিশাল এক অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার।

ওডিআই ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান বলেন, কোন কারণ নেই, কেন আমরা বড় কোন টুর্নামেন্ট জিততে পারি নি। আমার বিশ্বাস আমরা বড় টুর্নামেন্ট জেতার সক্ষমতা রাখি।

সাকিবের এই বিশ্বাস শুধুই তার মুখে না বুকে। শুধু সাকিব না এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তিন ক্রিকেটার কিন্তু বাংলার। ২৯টা করে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে ভারতে উড়ে যাবেন সাকিব, মুশফিক আর তামিম ইকবাল। ২৬ ম্যাচ খেলা বিরাট কোহলির সিরিয়াল ২ নাম্বার।

কিন্তু, মজার বিষয় বর্তমান দলের অর্থাৎ সর্বশেষ ঘোষিত ১৭ জনের স্কোয়াডের ১১ জনেরই অভিজ্ঞতা নেই ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার। ভয় নেই, তরুণ ক্রিকেটারদের এক সুতোয় গাঁথার আর বুক চিতিয়ে লড়াই করার সাহস দেয়ার কারিগরও তো সেই সাকিব আল হাসান।

ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, সাকিব আল হাসানের সবচেয়ে বড় গুণ হলো উনি সবার সাথে খুব সহজে মিশে যেতে পারেন।

আরও পড়ুন: প্রথমবার নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড

সবশেষ বিশ্বকাপের আগে একটা কিক বদলে দিয়েছিল সাকিবকে। আর এবার নাম্বার ওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন আগে ভাগে। বাংলাদেশ যে ভালো দল, ভালো খেলতে জানে সেটা দেখিয়ে দিতে চান পুরো বিশ্বকে।



একাত্তর/আরএ