প্রথম নারী ফুটবল বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে হাওয়ায় ভাসছে স্পেন। তবে আনন্দের এই মুহূর্তে ভাটা পড়লো দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের অনাকাঙ্ক্ষিত কাণ্ডে। বিজয়ী স্কোয়াডের এক ফুটবলারের ঠোঁটে চুমু খেয়ে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।
রোববার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে পরাজিত করার পর ফুটবলারদের স্বর্ণের মেডেল দেয়ার সময় জেনি হারমোসোকে চুমু খান ফেডারেশন প্রধান লুইস রুবিয়ালেস।
পরে ক্ষমা চেয়ে এক ভিডিও বিবৃতিতে রুবিয়ালেস বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি ভুল ছিলাম, আমাকে স্বীকার করতে হবে।’
এল মুন্ডো সংবাদপত্র এবং অন্যান্য মিডিয়া আউটলেটগুলোর ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবে পোস্ট করা ভিডিও ফুটেজ অনুসারে, হারমোসো লকার রুমে পরে সতীর্থদের বলেছিলেন যে তিনি ‘ব্যাপারটি পছন্দ করেননি’।
পরে অবশ্য স্প্যানিশ বার্তাসংস্থা ইএফই-তে পাঠানো ফেডারেশনের এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঘটনাটি খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এটি ছিল বিশ্বকাপ জয়ের বিশাল আনন্দের দ্বারা সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্ররোচিত একটি পারস্পরিক অঙ্গভঙ্গি ছিল। ‘প্রেসি’ এবং আমার একটি দুর্দান্ত সম্পর্ক রয়েছে, আমাদের সবার সাথে তার আচরণ সর্বদা দশে দশ এবং এটি স্নেহ এবং কৃতজ্ঞতার একটি স্বাভাবিক অঙ্গভঙ্গি ছিল।’
ম্যাচ পরবর্তী ভিডিও ফুটেজে রুবিয়ালসকে অন্য খেলোয়াড়দের গালে চুম্বন বা মেডেল দেওয়ার সময় তাদের আলিঙ্গন করতে দেখা যায়।
লিঙ্গ ইস্যু স্পেনে একটি স্পর্শকাতর বিষয়। সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন সরকার লিঙ্গ পরিবর্তন, গর্ভপাত এবং যৌনকর্ম নিয়ে একাধিক আইনি সংস্কার করেছে। তবে দেশটিতে যৌন সম্মতির বিষয়ে আইনের ফাঁকফোকর ধর্ষকদের রক্ষা করে, যার ফলে জুলাইয়ের নির্বাচনে বামপন্থী পোডেমোস পার্টির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ জয়ের পর জানতে পারলেন বাবা মারা গেছেন
স্পেনের কোপ রেডিও স্টেশনে ঘটনাটি সম্পর্কে আবার জিজ্ঞাসা করা হলে হারমোসো বলেন, ‘আমি চাই তারা অন্য কাউকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করুক, আমি একজন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
একাত্তর/এসজে