আলোচনা সমালোচনা যাই থাকুক টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসানই এই মুহূর্তে দলের সবচেয়ে বড় নাম, বড় তারকা। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের এসিড টেস্ট। সেই টেস্টের আগে সাকিব ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকায় দলের ভেতরেও চাঙ্গা ভাব। আগের দিন অনুশীলনে কাটিয়েছেন অনেকটা সময়। আইপিএল খেলার সুবাদে পুনের উইকেট সাকিবের একটু চেনা। তাই ম্যাচ ডেতে তিনিই হতে পারেন ভরসার কেন্দ্র।
মোমবাতি হওয়া খুব সহজ কাজ নয়। আলো দেওয়ার জন্য সবার আগে নিজেকেই পুড়তে হয়, হতে হয় অঙ্গার। বাংলাদেশ ক্রিকেটে টিমে সাকিব আল হাসান তেমনই একজন। মাঠের বাইরের বিতর্ক এক পাশে সরিয়ে পরিশ্রমে নিমগ্ন। সাকিব জানেন বেলাশেষে শোরগোল যদি কেউ করে থাকে তবে সেটা সাফল্য।
বাংলাদেশ দলে সমস্যার নাই কোনো অন্ত। টপঅর্ডার বিশ্বকাপে ব্যর্থ। ব্যাটিং অর্ডারের বদল নিয়ে সমালোচনা হয়েছে বেশ। ঘুরে দাঁড়াতে পারবে তো সাকিবের বাংলাদেশ? পেইসারদের তাল কেটে গেছে বিশ্বমঞ্চে। তরুণরাও জ্বলে উঠছে না, তিন সিনিয়র সাকিব-মুশফিক-রিয়াদকেই বোঝা টানতে হচ্ছে।
আত্মবিশ্বাসের ঢেউ তুলে যদি কেউ বাংলাদেশ দলের মনোবলটাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে পারেন তিনি সাকিব আল হাসান। ভারত বধে চাই তার মাস্টারপ্ল্যান। মুখে স্বীকার না করলেও বাংলার কাপ্তানই ইন্ডিয়ার মাথাব্যথার নাম। কোন সন্দেহ নেই সাকিব ম্যাচের জন্য তৈরি থাকায়, তাকে নিয়ে অঙ্ক কষছে ভারত।
পুনের ব্যাটিং ট্র্যাকে কোহলিকে থামাবে কে? বাংলাদেশ দল সাকিবের দিকেই তাকিয়ে থাকবে। ওডিআইয়ে কোহলিকে পাঁচবার আউট করেছেন বাংলার বাহাদুর। উনিশ বিশ্বকাপের গোল্ডেন টাচ। সাকিবের ব্যাটে নেই সেই ধাঁচ। এখনও বাকি আছে ছয়টা ম্যাচ। সাকিব কি কাটাতে পারবেন ব্যাড-প্যাঁচ?
গেল এশিয়া কাপে সাকিবই ছিলেন ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক। ব্যাটে-বলে ছড়িয়েছিলেন দ্যুতি। ২০১২ এশিয়া কাপেও ছিল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের কেরামতি। বড় ম্যাচে তার বাহাদুরি। বৃহস্পতিবার ভাইটাল ম্যাচে কাপ্তানই গড়ে দিতে পারেন ব্যবধান। ব্যাটে-বলে তাকে রাখতেই হবে অবদান। তাই স্বাগতিক ভারত ভীষণ সাবধান। সাকিবকে কোন ধরনের সুযোগই দিতে নারাজ টিম ইন্ডিয়া।