ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হাই ভোল্টেজ ম্যাচ। গ্রুপ পর্বে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের প্রতিপক্ষ ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে শেষ পাঁচ ম্যাচে বাভারিয়ানদের হারাতে পারেনি ম্যানইউ। এবার কি পারবে? উত্তরের অপেক্ষায় প্রস্তুত আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা। খেলা শুরু রাত ১টায়।
বায়ার্ন মিউনিখ বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড... শুধুইতো একটা ম্যাচ নয় তার চেয়েও আরো বেশি কিছু। ফুটবল ইতিহাসে দুদলই সমৃদ্ধ আছে তাদের পাগলাটে ফ্যানবেইজ। ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের প্রায় দশ বছর পর ফিরছে সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ।
ইউসিএলে টানা ১৬ সিজন, ২৮৩ নম্বর ম্যাচ... প্রস্তুত আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা, মাঠে নামছে ২০২০ চ্যাম্পিন্স। গ্রুপ স্টেজে রেকর্ড ৩৪ ম্যাচ হলো বায়ার্ন হারে না। শেষবার হেরেছিলো পিএসজির বিপক্ষে সেই ২০১৭ সালে । গেলো মৌসুমে বায়ার্ন ছিটকে পড়েছিলো কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে আর ম্যানইউ তো কোয়ালিফাই ই করতে পারেনি ইউসিএলে।
এর আগে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় মোট ১১ বার দেখা হয়েছে দুই দলের। তার মধ্যে বায়ার্ন মিউনিখের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ৫ ম্যাচ খেলে কোনোটিতে জয় পায়নি ইউনাইটেড। আজকের ম্যাচেও যদি বায়ার্ন জেতে তবে রেড ডেভিলদের হারানোর তালিকায় সবার উপরে উঠে আসবে বাভারিয়ানস।
এই যখন বায়ার্নের স্ট্যাটস তখন নিজেদেরই বেস্ট অব লাক বলছে ইউনাইটেড ফ্যানস। তবে বায়ার্নের বিপক্ষে ম্যানইউরও আছে সুখস্মৃতি ১৯৯৯ সালে এই দলটাকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিলো পিটার স্মাইকেলের দল।
নয়া সিজনে বায়ার্নের শক্তি বাড়িয়েছে সামার সাইনিং ইংলিশ ক্যাপ্টেন হ্যারি কেইন। এরইমধ্যে লিগে চার ম্যাচে করে ফেলেছে চার গোল। তবে ইনজুরিতে এই ম্যাচেও ক্যাপ্টেন নয়্যার থাকছেন সাইডলাইনে। রাফায়েল গুরেইরা ফিরছেন স্টার্টিং এলিভেনে।
বায়ার্ন যতটা স্বস্তিতে ম্যানইউ যেন ঠিক তততটাই অস্বস্তিতে। নয়া সিজনটা হয়নি মন মতো তার উপর এরিক টেন হ্যাগের হাতে ইনজুরির লম্বা লিস্ট। হ্যারি ম্যাগুয়েল, বিসাকা, ভারানে, লুক শ, ম্যানস মাউন্টসহ ছিটকে গেছে আরো অনেকে।
এদিকে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গড়াতে যাচ্ছে অন্যরকম এক ম্যাচ। ইউসিএলে সবচেয়ে বেশি ৩০৪ ম্যাচ খেলা রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ডেব্যু হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন বার্লিনের। চলতি মৌসুমে উড়ন্ত ফর্মে আছে লস ব্লাঙ্কোস, টানা জয়ে লিগের টপে ওরা। জার্মান ক্লাবটার বিপক্ষেও অনুমিত ভাবেই এগিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সবচেয়ে বেশি ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচে একমাত্র অঘটনই পারে বার্লিনকে বাঁচাতে।