হাংজুতে আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার প্রীতি ম্যাচ বাতিল

হংকংয়ে ম্যাচ লিওনেল মেসির ম্যাচ না খেলার রেশ এবার ছড়িয়েছে চীনে। বাতিল হয়েছে আগামী মাসে হাংজুতে আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া প্রীতি ম্যাচ। শুক্রবার এমন ঘোষণা দিয়েছে চীনের হাংজু স্পোর্টস ব্যুরো।

হংকংয়ে না খেললেও জাপানি ক্লাব ভিসেল কোবের বিপক্ষে ৩০ মিনিট খেলেছেন মেসি। আর এ নিয়েই উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

কোথাকার জল কোথায় গিয়ে গড়ায়... হংকংয়ে মেসির ম্যাচ না খেলার ঘটনা এবারে সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে চায়নাতে।

যার শুরুটা গেলো রোববার... লিওনেল মেসিকে দেখতে হংকংয়ে হয়েছিলো গণজোয়ার। তার খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত ৪০ হাজার সমর্থক। কিন্তু ফিটনেস ইস্যুতে মেসি সেদিন এক মিনিটের জন্যও মাঠেই নামেননি। জাপান পৌঁছে অবশ্য এই ঘটনার জন্য সমর্থকদের কাছে ক্ষমাও প্রার্থনা করেন মেসি।

তবে তাতে কোনো লাভ হয়নি। কারণ তিনদিনের মাথায় সেই মেসিই জাপান গিয়েই খেলে ফেললেন ত্রিশ মিনিট। এখানেই বাধে বিপত্তি।

নতুন করে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন আগে থেকেই তেতে থাকা হংকংয়ের সমর্থকরা। আর সেই আগুনের তাপ এখন লেগেছে চীনের সমর্থকদের গায়ে। দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে পুরো বিষয়টাকেই তারা দেখছে কূটকৌশল হিসেবেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠেছে মেসি বিরোধী আন্দোলন।

‘সমর্থকদের একটাই কথা প্রি-সিজনে ছয়টি ম্যাচে পাঁচটিতে খেলেছে মেসি, মিস করেছেন কেবল হংকং একাদশের বিপক্ষে।’

‘কেনো মেসি হংকংয়ের চিফ এক্সিকিউটিভের সাথে হ্যান্ডশেক করলেন না, অথচ জাপান গিয়ে দৌড়াতে তার কোন কষ্টই হলো না।’ মেসির না খেলাকে কেন্দ্র করে অনেকে জাপান-চায়নার সাম্প্রতিক ইস্যুকেও টেনে আনছেন অনেকে।

এখানেই শেষ নয়, এই ঘটনার প্রভাব এবারে পড়লো আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার প্রীতি ম্যাচের ওপর। আগামী মাসে দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল চীনের হাংঝুতে। কিন্তু পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে করে চীনে মেসির ভ্রমণ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় কর্তৃপক্ষ। আর তাই ম্যাচটি বাতিল করে দিয়েছে দেশটির ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ।

‘বর্তমান পরিস্থিতিতে, যেগুলো সবাই জানে, কর্তৃপক্ষের মতে প্রীতি ম্যাচটি আয়োজনের জন্য পরিবেশ যথাযথ নয়। যে কারণে, ম্যাচটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

ওই ম্যাচের পর বেইজিংয়ে আইভরি কোস্টের সাথে বিপক্ষেও খেলার কথা রয়েছে আর্জেন্টিনার। যদিও সেই ম্যাচ নিয়ে এখোনো কোনো আলোচনা হয়নি।