টিমমেইট পেনাল্টি মিস করেছে, আর লিওনেল মেসি হাসি ঠাট্টায় মেতেছেন। এতেই খেপে আগুন সমর্থকরা। সেই আগুন ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বলছেন, সবারই লিওনেল মেসির জাদুর মায়া নাকি কেটে গেছে। এজন্যই প্রি সিজনে ছয় ম্যাচে দল জয় পেয়েছে কেবল একটা।
মেজর লিগ সকারের নয়া মৌসুম শুরুর আগেই দুশ্চিন্তা মায়ামি শিবিরে। পেনাল্টি মিস করলো মেসির টিমমেট রবার্ট টেলর। হোর্দি আলবার সাথে হাসি তামাশায় মাতলেন দলের কাপ্তান। অথচ এই মিসেই জাপানের ক্লাব ভেসেল কোবের বিপক্ষে হার নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির।
মুহূর্তেই মেসির হাসির ছবি হয় ভাইরাল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সমর্থকরা। সবার একটাই কথা এ আবার কেমন ক্যাপ্টেন, দলের হারে যার কিচ্ছু যায় আসে না। ইন্টার মায়ামির উচিত তার সাথে চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা... এমন কথাও বলছেন কেউ কেউ।
গেলো ম্যাচে হংকং একাদশের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির হয়ে লিওনেল মেসির না খেলা নিয়ে হয়েছে তোলপাড়। জাপানের বিপক্ষে শুরুর একাদশে না থাকলেও ম্যাচের ৬০তম মিনিটে মাঠে নামেন মেসি। ৩০ মিনিটের এই সময়টায় জাপান ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে তৈরি মেসি মোমেন্টস... ৪৬ বার বল টাচ করে ৭৯ শতাংশ পাস অ্যাকুরিসি রেখে গোল মুখে শট নেন দুটি। তবে তাতে করে ভাগ্যের শিকে ছেড়েনি।
গোলশূন্য থাকে নির্ধারিত সময়। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর সেখানেই বাধে বিপত্তি। অদ্ভুত কারণে টাইব্রেকারে মেসি অংশ নেননি। তার উপর দু’বার অ্যাটেম্পট নিয়েও টেইলর ব্যর্থ হন।
হংকংয়ে দুয়ো শুনে আসা মেসিবাহিনী জাপানে সিক্ত ভালোবাসায়। কে জানতো তার শেষটা হতে চলেছে এমন হতাশার। এ যাত্রাতেও মেসি ভক্তরা বাড়ি ফিরলো মেসির গোল না দেখেই।
প্রি-সিজনে এই নিয়ে ছয়টি প্রীতিম্যাচ খেললো ইন্টার মায়ামি। হংকং একাদশ ছাড়া কারো বিপক্ষেই জয় পায়নি আমেরিকান ক্লাবটা। কোনোভাবেই আর কাজে লাগছে না মেসি ম্যাজিক। কাজে লাগছে না মিনি বার্সেলোনা প্রজেক্ট। নতুন সিজন শুরুর আগেই শুরু দুশ্চিন্তা।
ভ্রমণক্লান্তি আর ঠাসা সূচিতে এরইমধ্যে একাধিক প্লেযার পড়েছেন ইনজুরিতে। আর লিওনেল মেসিতো এখনো ফুল ফিট নন। ১৬ ফেব্রুয়ারি ফ্লোরিডাতে মেসিদের প্রি-সিজনের শেষ টুর।
মায়ামি খেলবে মেসির শৈশবের ক্লাব নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের বিপক্ষে। এমএলএস শুরুর আগে মার্তিনোর শিষ্যরা হাতে সময় মোটে এক সপ্তাহ। মেসিদের সামলাতে হবে ইনজুরির ধাক্কা, হারের ক্ষত, আর দুয়োধ্বনি তিক্ত অভিজ্ঞতা।
নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ভুটানের জালে কৃষ্ণাদের এক হালি