ইউরো সেমিফাইনালে বিগ ম্যাচ। রাত একটায় মুখোমুখি হবে স্পেন আর ফ্রান্স। বড় ম্যাচে কী হারতে পারে স্পেন? কাদের একক নৈপুণ্যে বদলে যেতে পারে সব সমীকরণ।
একেতো সেমিফাইনাল, তার ওপরে প্রতিপক্ষের নাম স্পেন, এমন ম্যাচে শুধু দক্ষতা আর শক্তিমত্তার হিসেব যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। একই সাথে সফল ও অনিন্দ্য সুন্দর যে ব্র্যান্ডের ফুটবল খেলছে স্পেন সত্যিই দুশ্চিন্তার কারণ ফ্রান্সের। অবশ্য অনেকখানি স্বস্তি দিচ্ছে কার্ড নিষেধাজ্ঞা আর চোট সমস্যা।
সেন্টার ব্যাক লেরমন্ড, রাইট ব্যাক দানি কারভাহাল, স্ট্রাইকার আলভারো মোরাতা থাকবে না সাসপেনশনে। অন্যদিকে জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচে ঘড়ির কাটা পাঁচ মিনিট পেরোতেই ইনজুরিতে মাঠ ছেড়েছেন, স্প্যানিশ মিডফিল্ডের অন্যতম প্রাণ পেদ্রি। আগেরবার টেকনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ মাঝ মাঠের প্লেয়ারের সেই শূন্যতার ফায়দা নিতে পারেনি জার্মানি, তবে এবার অ্যাডভান্টেজ নেয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে ফ্রান্সের।
জার্মানি ম্যাচে মিডফিল্ডে পেদ্রির বদলি নেমে একটা গোল করিয়েছিলেন, জার্মান কন্ডিশনে অভ্যস্ত, বুন্ডেস লিগায় লাইপজিগে খেলা দানি ওলমো। তবে স্ট্রাইকার মোরাতার না থাকার কারণে, এবার ওলমোকে খেলানো অনভ্যস্ত পজিশনে। আর মিডফিল্ডে পেদ্রির পজিশনে মিকেল মেরিনো।
সহজ কথায় ট্যাকটিকাল অ্যানালাইসিসের দৃষ্টিভঙ্গিতে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা স্পেনের বি টিমটা খেলছে সেমিফাইনাল। এখনো ওপেন প্লে থেকে একটাও গোল করতে না পারা, নিজেদের সেরাটা খেলতে না পারা ফ্রান্স থাকবে কিছুটা হলেও আপারহ্যান্ডে।
লড়াইটা যতোটা ফ্রান্স-স্পেনের; ততোটা কিলিয়ান এমবাপে আর লামিলে ইয়ামালের। রাইট উইং থেকে ১৬ বছর বয়সী ইয়ামাল কিংবা লেফট উইং থেকে ২৫ বছরে কিলিয়ান এমবাপে, এ দু’জনের যে কেউ ওলট পালট করে দিতে পারে ফরম্যাশন-ট্যাকটিকস-ম্যাচ চলাকালীন মোমেন্টামের হিসেব নিকেশ।
তবে অভিজ্ঞতার কারণে এমবাপেকে রাখতে হবে এগিয়ে, যদিও তার ফর্ম নেই নিজের সেরাটায়, যার বড় কারণ নাকের ইনজুরি। মুখোশ পরে খেলাটা নাকি সৃষ্টি করছে সমস্যা। অবশ্য মাঝখানে বেশ কিছু দিনের বিরতির পর সেমিফাইনাল, দেখতে পাবার কথা সব সমস্যা কাটিয়ে সেরা হয়ে ওঠা এমবাপে।