শাহিন আফ্রিদির বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

ঘোরতর দুঃসময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানের ক্রিকেট। ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে যে খারাপ সময় শুরু সেটি আরও বাজে হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়ে বাবর আজমরা। রীতিমতো হাস্যরস শুরু হয়ে যায় পাকিস্তান দল নিয়ে। সমালোচনার ঝড় উঠে চারিদিকে।

শেষ পর্যন্ত সীমাহীন ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে নেমে পড়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড- পিসিবি। দলের মধ্যে হচ্ছে কি, সেই প্রশ্ন খুঁজতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য পাচ্ছেন তদন্ত দলের সদস্যরা। দলের মধ্যে শৃংখলা বলতে কিছুই নেই, যে যার ইচ্ছামতো চলাফেরা করেছেন। কথা শোনেননি কারও।

পিসিবি’র তদন্তেই বেরিয়ে এসেছে, শুধু হেড কোচ গ্যারি কারস্টেনের সঙ্গে নয়, পুরো কোচিং স্টাফের সঙ্গে দিনের পর দিন দুর্ব্যবহার করেছেন পাকিস্তানের পেসার শাহিন আফ্রিদি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ব্যর্থতার তদন্ত রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, আফ্রিদির দুর্ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পুরো দলই।

afridi_shahin

সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের সময় কোচদের সঙ্গে বেয়াদবি করেন সাবেক এই অধিনায়ক। পিসিবি'র একটি সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই কাজের পর তাকে শাষণ তো করেইনি, বরং সাহায্য করেছে নির্বাচক ওয়াহাব রিয়াজ ও মনসুর রানা।

যে কারণে তাদের দু'জনকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। শাহিন আফ্রিদিকে সরিয়ে বাবর আজমকে ক্যাপ্টেন্সি দেয়ার রোষানল থেকে এমন কাজ করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দোষ প্রমাণিত হবার পরও শাহীনের বিরুদ্ধে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিসিবি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, শাহিন আফ্রিদি ঠিক কোন সময়ে আর কোন কোচের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে কোচদের প্রতিবেদনে খেলোয়াড়দের মধ্যে গ্রুপিং থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।

সামা টিভি জানিয়েছে, পাকিস্তান দলের প্রধান কোচ গ্যারি কারস্টেন ও সহকারী কোচ আজহার মেহমুদ পিসিবিকে জানিয়েছেন, খেলোয়াড়েরা একে অপরের বিরুদ্ধে লেগে ছিলেন, ‘ক্রিকেটাররা একে অপরের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা সাজাতে ব্যস্ত ছিলেন, যার কারণে পাকিস্তান দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।