ডন কার্লো আনচেলোত্তি ব্রাজিলে এসে শুরুতেই খেলেন হোঁচট। ওয়ার্ল্ডকাপ কোয়ালিফায়ারে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেছে সেলেসাওরা। নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই এমন ফল কিছুটা হলেও চাপে ফেলেছে ইতালিয়ান কোচকে, কারণ কেবল কোয়ালিফায়ারের মাঠ সামলানো নয়, আনচেলোত্তির পেছনে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করেছে হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে।
ব্রাজিল স্কোয়াডের নিউক্যাসল মিড ব্রুনো গুইমারেজের ঘাড় ধরে মাটিতে ঠেসে ধরছিলেন তারই এক সতীর্থ। ব্যাপারটা ফার্স্ট নোটিশে অদ্ভুত দেখাতে পারে। তবে পুরো সিচুয়েশন বুঝলে ধরা যায়, ওটা ছিল বাহবা দেয়ার একটা ধরন। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচের শেষবেলায় পড়িমরি করে প্রতিপক্ষের একটা অ্যাটাক থামিয়েছেন গুইমারেজ। তাই বাহবা মিলেছে কিপার অ্যালিসন বেকারের কাছ থেকেও, আরেকটু হলেই যে বেকার হয়ে যেত ম্যাচে ক্লিনশিট ধরে রাখার তার এতক্ষণের চেষ্টা।
ব্রাজিল ম্যাচের পুরো চিত্র যেন ফুটে উঠেছে এই ঘটনা দিয়েই। কার্লো আনচেলোত্তির প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে সেলেসাওদের কেবল ব্যস্ত থাকতে হয়েছে কেবল নিজেদের পিঠ বাঁচাতে। ওয়ার্ল্ডকাপ কোয়ালিফায়ারে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ৪৮ শতাংশ বলের দখল রাখতে পারে ব্রাজিল।
ইকুয়েডরের অরগানাইজড ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি আনচেলোত্তির দল। নয়া কোচের ফার্স্ট ম্যাচেই গোল শূন্য ড্র। ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ডকে নিশ্চিতভাবেই চাপে ফেলে দিয়েছে। বল পজিশনে পিছিয়ে থাকলেও গোলের সুযোগ বেশি তৈরি করেছে ব্রাজিলিয়ানরাই। কিন্তু সুযোগগুলো ক্যাপিটালাইজ করতে পারেনি।
ফার্স্ট হাফে গ্যারসনের অ্যাসিস্টে ভিনিশিয়াস জুনিয়রের অ্যাটেমটাই ছিল অনেকটা শিওর শট। তবে সেটা ব্যর্থ করেন দেন ইকুয়েডর গোলকিপার গনজালো ভালে। সেকেন্ডহাফে ভিনিশিয়াসের একটা ওয়েল প্লেসড পাস পেয়েও সেটা গড়বড় করে ফেলেন রিচার্লিসন। কাসেমিরোর পাওয়ারফুট দূরপাল্লার শটটাও ভেস্তে দিয়েছেন গোলকিপার ভালে।
এই ড্রয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে মোট ২৪ পয়েন্টের মালিক হয়েছে ইকুয়েডর। তাতে কোয়ালিফাই করার আরো কাছে চলে গেছে ওরা। কনমেবল বাছাইয়ে আছে দুই নম্বরে। ২২ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল আছে চারে। আনচেলোত্তির নেক্সট অ্যাসাইনমেন্ট থার্ড প্লেস হোল্ডার প্যারাগুয়ের বিপক্ষে।