২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সদ্য প্রকাশিত পুরুষদের র্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জনের পাশাপাশি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে স্পেন। অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়ে সিংহাসন হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে রানার্স-আপ আর্জেন্টিনা।
রোববার নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নেয় লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেন। এই জয়ের সুবাদে জানুয়ারির পর আবারও ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ফিরে এল স্প্যানিশরা।
বিশ্বকাপে ফরাসিদের হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতলেও ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের আগের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড চার নম্বরে এবং ফ্রান্স তিন নম্বরেই রয়েছে। টুর্নামেন্টে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা ব্রাজিল এক ধাপ এগিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে।
মরক্কো নিজেদের ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৬ নম্বর স্থানে পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছে। অন্যদিকে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া পর্তুগাল দুই ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছে ৭ নম্বরে। বেলজিয়াম এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠেছে, আর নেদারল্যান্ডস এক ধাপ পিছিয়ে নবম স্থানে নেমে এসেছে।
চার ধাপ এগিয়ে শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে মেক্সিকো। উল্টোদিকে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি শীর্ষ ১০ থেকে ছিটকে গিয়ে ১২তম স্থানে নেমে গেছে, যাদের ঠিক পেছনেই ১৩ নম্বরে ক্রোয়েশিয়া। আর বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়া ইতালি পিছিয়ে ১৫ নম্বরে অবস্থান করছে।
এবারের ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে নরওয়ে। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্সের সৌজন্যে এক ধাক্কায় ১২ ধাপ এগিয়ে ১৯ নম্বরে চলে এসেছে তারা।
আফ্রিকার দলগুলোর মধ্যে মিসর পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২৪ নম্বরে এবং দক্ষিণ আমেরিকার প্যারাগুয়ে সাত ধাপ এগিয়ে ৩৪ নম্বরে উঠে এসেছে (উভয় দলই শেষ ষোলোতে খেলেছিল)। বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেওয়া কেপ ভার্দে তিন ধাপ এগিয়ে ৬৪ নম্বরে উঠেছে, যা আট ধাপ এগিয়ে ৬৫ নম্বরে থাকা ঘানার ঠিক এক ধাপ ওপরে।
অন্যদিকে পুরো র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বড় অবনমন ঘটেছে তিউনিসিয়ার। এক লাফে ১২ ধাপ পিছিয়ে তারা চলে গেছে ৫৭ নম্বরে।