দেশে গেল ১৫ বছরে কেবল প্রযুক্তিখাতেই তৈরি হয়েছে লাখো উদ্যোক্তা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসবের অনেকগুলো থমকে গেছে অর্থাভাবসহ নানা কারণে।
প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, সরকারকে সবার আগে নিজ দেশের উদ্ভাবনগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। দিতে হবে নীতি সহায়তা আর প্রণোদনা। যা তাদের পৌঁছে দিতে পারে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবার পর্যায়ে।
একটি মাত্র ক্লিকেই নির্ভুল বাংলা লিখে দেবে এ.আই। এলোমেলো বাক্য আর ভুল বানানে লেখা যে কোনো গল্প বা ঘটনা সাজিয়ে দেবে সঠিক বাংলা ব্যাকরণ আর বানানরীতি মেনে। শুধু তাই না, অফিসে মিটিংয়ের সময় রেকর্ড অপশনটি খোলা রাখলে, মিটিংয়ের সারমর্মও পেয়ে যাবেন অনায়াসে।
আছে ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদের সুযোগও। সাংবাদিকরা লিখতে পারবেন খবরের স্ক্রিপ্টও। বাংলা ভাষার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই প্ল্যাটফর্মের নাম- ‘সঠিক এ.আই’। এরইমধ্যে, বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্রান্ট জিতে নিয়েছে দেশের এই উদ্ভাবন।
চলতি বছরের একুশে ফেব্রুয়ারি এই উদ্যোক্তাদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছিল একাত্তর। এরপর সম্ভাবনাময় প্লাটফর্মটির খবর ছড়িয়ে পড়ে। ফলাফল, প্রতিবেশী দেশ ভারত আগ্রহী হয়ে লক্ষ ডলারের চুক্তিও করতে চায় ওদের সাথে। অথচ, এই উদ্যোক্তাদের আক্ষেপ, নিজ দেশ থেকে তারা বড় কোনো সাড়া পাননি।
গেল ১৫ বছরে আইসিটিখাতে এমন হাজারেরও বেশি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ আর উদ্ভাবন ঘটেছে। রপ্তানি আয় ছাড়িয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হয়েছে ২০ লাখ। দেশের মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৯ কোটি, যাদের ১০ কোটি গ্রাহক ৪জি সেবার আওতায়।
বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলছেন, যা অর্জন হয়েছে, তার চেয়েও বহুগুণ আছে সম্ভাবনা।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ইমদাদুল হকের মতো অনেক প্রযুক্তি ব্যবসায়ী মনে করেন কিছু সিদ্ধান্তের কারণে হোঁচট খেতে পারে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন। উদ্ভাবকদের চালিকা শক্তি ইন্টারনেটের দাম বাড়িয়ে দেয়া তেমনই একটি সিদ্ধান্ত।