কর অব্যাহতি দিলে তথ্য-প্রযুক্তিখাত দেশের জন্য ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ হতে পারে বলে মনে করেন, বেসিস নির্বাচনের টিম সাকসেস প্যানেলের প্রার্থী মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম। স্মার্ট বাংলাদেশের স্বার্থেই এই খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা চালু রাখা দরকার, দাবি তার।
প্রযুক্তি খাতে কর সুবিধা দীর্ঘ করার এই দাবিকে যৌক্তিক বলে মানছেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও।
২০১১ সাল থেকে প্রতিটি বাজেটেই প্রযুক্তি খাতের ২৭টি সেবার জন্য কর অব্যাহতি দিয়ে আসছে সরকার। প্রযুক্তিখাতে ১৩ বছর ধরে চলা এসব সেবায় ৩০ জুনের পর কর অব্যাহতি তুলে নেয়ার কথা রয়েছে। এতে প্রযুক্তিখাত চাপের মুখে পড়বে বলে মনে করেন প্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা। তাই এই দাবিটি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) নির্বাচনের ইশতিহারেও ঠাঁই পেয়েছে।
নির্বাচনে অংশ নেয়া প্যানেল, টিম সাকসেসের সদস্য মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম মনে করেন বেসিসের নিজস্ব ভবন ও কিছু সাংবিধানিক সংশোধনীর দরকার আছে।
তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে পাঁচ ট্রিলিয়নের যে আইটি মার্কেটটা আছে তার বড় একটি অংশ আমরা পেতে পারি। আমাদের হিসেবে সামনে প্রায় ২০ লাখ কর্মসংস্থান হবে এ খাতে।
প্রযুক্তিখাতে কর সুবিধা দীর্ঘ করা দরকার বলে মনে করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ১০ বছর সমর্থন পেলে আইসিটি খাতে হতে পারে দেশের আয়ের প্রধান খাত। এআই ও সাইবার নিরাপত্তার মতো প্রযুক্তিতে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলা না গেলে, বেকারত্ব দূর করা কঠিন হবে বলেও মনে করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ২৪-২৫ অর্থবছরের অবশ্যই কর বর্ধিত সুবিধা চাই।
স্মার্ট বাংলাদেশ: ২০৪১ পর্যন্ত আইটি খাতে কর ছাড়ের দাবি