সাত নভেম্বর কর্ণেল হুদা হত্যার বিচার চেয়ে মামলা

আপডেট : ১২ মে ২০২৩, ১১:০৭ এএম

১৯৭৫ সালের সাত নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যার দিন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীর বিক্রমকে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় বুধবার মামলাটি করেন তাঁর কন্যা নাহিদ ইজাহার খান এমপি। 

মামলায় নাম উল্লেখ করা একমাত্র জীবিত আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. আব্দুল জলিলকে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও বিশ পঁচিশজনকে আসামি করা হয়েছে। 

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের সাত নভেম্বর ভোর চারটা থেক সকাল আটটার মধ্যবর্তী কোন এক সময় মেজর জলিলের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদাকে হত্যা করে। 

মামলায় নাহিদ ইজাহার খান অভিযোগ করেছেন, তখনকার সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং জাসদের নেতা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবু তাহেরের নির্দেশে ১০ ইস্ট বেঙ্গলের কর্মকর্তা মেজর মো. আসাদউজ্জামান ও মেজর মো. আব্দুল জলিলসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, জেসিও এবং সৈনিকরা মিলে সংসদ ভবনের সামনে আমার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে গুলি করার পর বেয়নেট চার্জ করা হয়। 

শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলমকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে। 

image


মামলার বিষয়ে নাহিদ ইজাহার খান একাত্তরকে বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে, বাবা হত্যার বিচারের উপযুক্ত সময় এখনই। তাই মামলা করেছি। এখন সাতই নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের সম্পর্কে সবাই জানতে পারবে। আমরা সুবিচার পাবো বলে আশা করছি।’

তিনি বলেন, জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। এখন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকারীদেরও বিচার হবে বলে আমরা আশাবাদী।

এদের মধ্যে মেজর মো. আসাদউজ্জামান মারা গেছেন এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. আব্দুল জলিল জীবিত আছেন বলে জানা গেছে। 

নাহিদ ইজাহার খান বলেন, আসামিদের মধ্যে কে কোথায় আছে তা এখন খুঁজে বের করবেন তদন্ত কর্মকর্তা।

মুক্তিযুদ্ধে আট নম্বর সেক্টরের অধীনে বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা। ১৯৭৫ সালের সাত নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যার দিন; মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ, কর্নেল এটিএম হায়দার ও কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদাসহ খেতাবপ্রাপ্ত তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

image


পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে আরও অনেকের সঙ্গে আটক হন খন্দকার নাজমুল হুদা। ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেকসুর খালাস পান তিনি। কিন্তু সেনাবাহিনী থেকে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ সরকার খন্দকার নাজমুল হুদাকে বীর বিক্রম খেতাব দেয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২০২২ সালে মরনোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।

এর আগে বাবা হত্যার বিচার চেয়ে সংসদে আবেগময় বক্তব্য দেন খন্দকার নাজমুল হুদার মেয়ে নাহিদ ইজাহার খান। 

বক্তব্যে তিনি তার বাবাকে হত্যার সঠিক তদন্তের পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, তিন নভেম্বর ও সাত নভেম্বরসহ এর পরবর্তী সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত দাবি করেন। 


একাত্তর/আরবি 

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে আত্মপক্ষ সমর্থনের দিনে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দ্বিমুখী বক্তব্য দিয়েছেন মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। তিনি প্রথমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও পরে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় আসামিদের কথা বলা ও তা গণমাধ্যমে প্রচার না করতে নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। 
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে আদালত।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা আলাদা হত্যা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক এমপি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, পুলিশের সাবেক উপ-কমিশনার মো. শহিদুল্লা ও যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক...
২০২৭ সালের জন্য নতুন তিনটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি সাধারণ হজ প্যাকেজ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে হজের চূড়ান্ত...
ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদ অভিমুখে অগ্রসর হওয়া তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভকারীদের ওপর দিনভর ব্যাপক...
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন হত্যাসহ হয়রানিমূলক মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদীয়...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর