পটুয়াখালীর দুমকীতে কোচিংয়ে পড়ানোর কথা বলে ছাত্রকে বলাৎকারের (ধর্ষণের) অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবারের ওই ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগীর বাবা বাদি হয়ে পটুয়াখালী সেনা ক্যাম্পে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি দুমকী থানায় মামলা করেন। এরপর বুধবার রাতে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সাইমুন (২৪) বাকেরগঞ্জের মধ্য নলুয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি উপজেলার দুমকী সংলগ্ন জলিশা গ্রামে বাসা ভাড়া নিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন।
ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত এক বছর ধরে ভুক্তভোগীসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন ব্যাচে সাইমুনের কাছে প্রাইভেট পড়ে। পরীক্ষায় ভালো করার জন্য ঘটনার দিন রাতে সাইমুন তার বাসায় আসতে বলে ওই শিক্ষার্থীকে। পরে তিনি শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করে ভুক্তভোগীকে। শেষে ছবি তুলে রেখে এ ঘটনা কাউকে না জানানোর হুমকি দেয়। তবে, সকালে বাড়িতে গিয়ে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে।
দুমকী থানার ওসি ফিরোজ আহমেদ জানান, আটক সাইমুনের বিরুদ্ধে দুমকী থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। বুধবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার তাকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়।
মিরপুরে অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ছয়