ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে কৃষিপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে বিশ্ব
বাজারে। কারণ বৈশ্বিক গম রপ্তানির ২৯ শতাংশই করে রাশিয়া ও ইউক্রেন।
ভুট্টার ক্ষেত্রে এটি ১৯ শতাংশ আর সূর্যমুখী তেলের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ। তাই বিপাকে পড়ছে বাংলাদেশসহ এসব পণ্যের আমাদানিকারক দেশগুলো।
ইউক্রেনে রুশ হামলার সাথে সাথেই অস্থির হয়ে উঠেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার। গম, ভুট্টা আর যবের মতো দানাদার শস্য উৎপাদনে ইউক্রেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ।
আর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এখন ইউক্রেনের রপ্তানি প্রায় বন্ধ। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, খাদ্য শস্যে বিশ্বে সবচেয়ে বড় উৎপাদক রাশিয়া এবং ইউক্রেন।
তাই এই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধে গম, ভুট্টা এবং সূর্যমুখী তেলের দাম হতে পারে আকাশ ছোঁয়া। দুই দেশের মধ্যে অস্থিরতায় এখন বিকল্প উৎস খুঁজছেন খাদ্যশস্য আমদানিকারকরা।
গম বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি। বিশ্বের এক চতুর্থাংশেরও বেশি গম আসে রাশিয়া এবং ইউক্রেন থেকে।
কিন্তু দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের জেরে সেই জোগানে টান পড়ার আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা। গেল বছর রাশিয়ার গম রপ্তানির প্রায় ৭০ শতাংশ গেছে মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার ক্রেতাদের কাছে।
আরও পড়ুন: চেরনোবিলে বাড়ছে পারমাণবিক বিকিরণ, শঙ্কায় ইউক্রেন
রাশিয়া থেকে যারা গম কেনে, তাদের মধ্যে শীর্ষ দশে আছে মিশর, তুরস্ক এবং বাংলাদেশ। অন্য দিকে, ইউক্রেন থেকে গমের শীর্ষ ১০ আমদানিকারকের তালিকায় আছে মিশর ও ইন্দোনেশিয়া।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার তিন ব্যাংকের ওপর জাপানের নিষেধাজ্ঞা
গত বছর ইউক্রেনেরও ৪০ শতাংশের ও বেশি গম রপ্তানি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকায়।
এই যুদ্ধ মিশর, তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকার অনেক দেশের ক্রেতাদের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
একাত্তর/আরবিএস