‘জ্বালানী খাতের দুর্নীতিরোধে সরকারের মুনাফা বন্ধ করতে হবে’

জ্বালানি খাতের দুর্নীতি ও লুণ্ঠন বন্ধ করতে হলে এই খাতে সরকারের মুনাফা বন্ধ করতে হবে।  দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে জ্বালানি রূপান্তরকে রাজনৈতিক রূপান্তরে পরিণত করতে হবে।

জ্বালানি রূপান্তর নীতি নিয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ: ক্যাব আয়োজিত এক সংলাপে এসব বক্তব্য উঠে এসেছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

এসময় ক্যাব উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকার জ্বালানি খাতে নির্বিচারে লুণ্ঠন করেছে। জ্বালানি রূপান্তর করতে গেলে রাজনৈতিক রূপান্তর করতে হবে। প্রতিটি ধাপে দুর্নীতি রয়ে গেছে। রাজনীতিবিদদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ থেকে মানুষ তখনই মুক্তি পাবে, যখন সরকার মুনাফা থেকে বেরিয়ে আসবে। এত এত সংকট বিদ্যমান থাকার পরেও অন্তর্বর্তী সরকার সেসব সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এটা হতাশাজনক।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, এই সরকারের উচিত ছিলো দুর্নীতি বন্ধে পদক্ষেপ নেয়া। মুখে অনেক কথাই বলা হয়, কিন্তু বিচারে দৃশ্যমান কোনো কর্মকাণ্ড নেই। সাবেক সরকারের দায়িত্বশীলরা ইচ্ছামতো লুটপাট চালিয়েছে। তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ক্যাবের গাইডলাইন খুবই প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী। সিপিবি ও বামজোট একমত। সামনের নির্বাচনী ইশতেহারে জ্বালানির ন্যায্যতার বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার যতদিন মানুষের না হবে, ততদিন মানুষ ভালো কিছু পাবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগের সরকারের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। জনবান্ধব জ্বালানি নীতি গ্রহণ করতেই হবে।