২০ হাজার ভিসা প্রত্যাশীর পাসপোর্ট আটকে আছে বাংলাদেশের ইতালিয়ান দূতাবাসে। পাসপোর্ট ফেরতের দাবিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভিএফএস এর সামনে গণঅনশনে বসার ঘোষণা দিয়েছেন ইতালির ভিসা প্রত্যাশী বাংলাদেশিরা।
রোববার সকাল থেকেই কয়েকশ' বাংলাদেশি রাজধানীর গুলশানে ভিএফএস অফিসের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। তবে এখনও শুরু হয়নি তাদের গণঅনশন কর্মসূচি।
এই অনশন কর্মসূচিকে ঘিরে গুলশানে বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
মূলত ভিসা প্রত্যাশীরা ঢাকা সিলেট এবং চট্টগ্রামে ভিএফএসের এপয়েনমেন্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেন। কেন ভিসা পেতে দেরি হচ্ছে এমন প্রশ্নে রাষ্ট্রদূত একাত্তরকে বলেন, নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথা।
ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, মূলত পাঁচ কারণে ভিসা দিতে দেরি হচ্ছে। জমা দেয়া পাঁচটি নুলাস্তার মধ্যে একটি সঠিক নয়। যা যাচাই বাছাই করতে সময় দরকার। গেলো বছর জুলাইয়ের পর আবেদনের সংখ্যাটা এতোটাই বাড়ে যে আমাদের লোকবল এটি সামাল দিতে পারছে না। মধ্যস্বত্বভোগীরা বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে মিথ্যা স্বপ্ন দেখান প্রবাসীদের। কাজের ভিসা ছাড়াও অন্যান্য ভিসার চাপও বেড়েছে।
ইতালি সরকারকে কর্মী সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমি দুঃখিত দেরি হবার জন্য। এখানে ভিএফএস গ্লোবালে কিছু করার নেই। ভিসা আবেদনকারীরা যতোই আন্দোলন করুক এটি দূতাবাসের সমস্যা। প্রতিদিন ১০০ বেশি পাসপোর্ট দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
বর্তমানে ইতালি যাবার জন্য মূল পাসপোর্ট জমা রাখতে হয় না। এছাড়া আবেদনের পরই কাজের অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয় না।