১৮০০ শতকের শেষের দিকে লালমনিরহাটে নির্মিত তিস্তা রেলসেতু যান চালচলে চালু হয়। এরপর লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের সঙ্গে চালু হয় সারাদেশের রেলযোগাযোগ। একই সঙ্গে এই রেলসেতুর ওপর দিয়ে চলতে বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যান।
২০১২ সালে সেতুটির পাশে চালু করা হয় অপর একটি সড়ক সেতু। বর্তমানে রেলসেতু দিয়ে চারটি আন্তঃনগরসহ চলাচল করছে ২১ জোড়া ট্রেন। তবে বিভিন্ন সময় রেলসেতুটি মেরামতে লোহার বদলের বাঁশের খিল ও গাছের বাকলা ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
লালমনিরহাট রেলের বিভাগীয় প্রকৌশলীর দাবি, মিস্ত্রিরা আগে এসব করলেও এখন আর এমনটি নেই।
স্থানীয়রা জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ সেতুর ওপর রেললাইনের স্লিপারগুলো বহু পুরনো। এর সংস্কারে কাঠের বাকলা ও বাঁশ ব্যবহার করে আসছে মিস্ত্রিরা। দেখভালের তেমন কোনো বালাই না থাকায় জরাজীর্ণ সেতুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
তাদের দাবি, রেলসেতুটি সঠিকভাবে সংস্কার করাসহ রেল চলাচলের জন্য বিকল্প রেল সেতু করা হোক।
এলাকাবাসীর শঙ্কা, দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ রেলসেতুটির সঠিক সংস্কার করা না হলো বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে। তাই দ্রুত বিকল্প রেলসেতু করা হোক।
তাদের অভিযোগ, সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা ব্যয় হলেও বাঁশের নাট বা খিলসহ কাঠের বাকলা দিয়ে বার বার কোনো রকমে রেলসেতুটির সংস্কার কাজ শেষ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাটের বিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান হাবিবের কাছে এ ব্যাপারে জানাতে চাইলে একাত্তরের ক্যামেরার সামনে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।