বরিশালের গৌরনদীর অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন মাহিলারা মঠ। প্রায় তিনশ’ বছরের পুরোনো ২৭ দশমিক ৪৩ মিটারের হেলে থাকা মঠটি মন্দির শিল্পের অপূর্ব নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত এই মঠটির সবশেষ সংস্কার হয়েছে পনেরো বছর আগে। এখন গাইডওয়াল ঝুঁকির পাশাপাশি রয়েছে আরও অনেক সমস্যা।
সরেজমিনে ঘুরে দূর থেকে দেখলেই বোঝা যায় বরিশালের গৌরনদী এলাকার মাহিলারা মঠটি দক্ষিণ দিকে হেলে আছে। সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই মঠ নিয়ে চালু থাকা মিথ হলো নির্মাণের পর মায়ের দুধের ঋণ শোধের কথা বলায় মাথা হেলে পড়ে। শত শত বছর ধরে এভাবেই মঠটি হেলে আছে।
‘সরকার মঠ’ নাম হলেও এলাকার নাম অনুসারে এখন মাহিলারা মঠ নামেই পরিচিত। একে কেন্দ্র গড়ে উঠেছে মন্দির এবং আশ্রম। যেখানে নানা পার্বণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে অনুষ্ঠান ছাড়াও দেশ এবং দেশের বাইরের দর্শনার্থী আসেন সুউচ্চ এই মঠ দেখতে।
দর্শনার্থীরা জানান, তারা মঠের অনেক প্রশংসা শুনে দূর থেকে এটি দেখতে এসেছেন।
মঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন দাস জানান, পনেরো বছর আগে মঠটির সংস্কার হয়। পাশেই দীঘি থাকায় গাইডওয়াল দুর্বল হয়ে ঝুঁকি বেড়েছে।
বরিশাল প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহকারী কাস্টডিয়ান আরিফুর রহমান বলেন, মাহিলারা মঠ শত শত বছর ধরেই এভাবে হেলে আছে। সার্বিক পরিচর্যার জন্য আমাদের একজন লোক ওখানে নিয়োগ দেয়া আছে।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলারা গ্রামে ২৮৪ বছর আগে এই মঠ নির্মাণ করেছিলেন রুপ রাম দাসগুপ্ত। কালের সাক্ষী এই স্থাপনা রক্ষার জন্য দ্রুত সংস্কারের দাবি উঠেছে।
তিন দশক পর কানের প্রতিযোগিতা বিভাগে ভারতীয় সিনেমা