অবশেষে পর্নোকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন রাজ কুন্দ্রা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দুই মাস কারাগারে ছিলেন বলিউড তারকা শিল্পা শেঠির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা। ৫০ হাজার রুপি মুচলেকা দেওয়ার শর্তে ২০ সেপ্টেম্বর জামিন পান তিনি। ওই ঘটনায় তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন শিল্পা, তার ভাবমূর্তি প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এ নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন শিল্পার স্বামী। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে পর্নোকাণ্ডে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন রাজ।

তিনি জানান, ‘পর্নোকাণ্ডের নামে আমার বিরুদ্ধে প্রচুর ভুয়া খবর রটেছে। অনেকেই এ সময়ের সুযোগ নিয়ে আমার বদনাম করেছে। আমি এতদিন এসব নিয়ে চুপ থাকার মানে এ নয় যে এগুলো আমি মেনে নিয়েছি। আমার চুপ থাকাটা দুর্বলতাও নয়। আমি কখনোই পর্নো ছবির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। এখনও জড়িত নই। যেহেতু পুরো বিষয়টা এখনও আইনের হাতে তাই এসব নিয়ে এর বেশি কিছু মন্তব্য করতে চাই না। আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। সত্যিটা একদিন সামনে আসবেই। সমস্যা হচ্ছে এসব ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে আমার পরিবার। যা সহ্য করা আমার পক্ষে খুবই কষ্টকর। এটা দুঃখজনক।’

গত ১৯ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল রাজ কুন্দ্রাকে। প্রায় দুই মাস পর ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তার জামিন মঞ্জুর করে মুম্বাইয়ের আদালত।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। নানান সূত্র থেকে জানা যায়, সেই সময় নারীদের দিয়ে পর্নো ফিল্ম শুট করানোর অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই অভিনেত্রী গেহনা বশিষ্ঠকে গ্রেপ্তার করা হয়। গেহনার সূত্র ধরেই নাকি রাজের পর্নো ফিল্মের ব্যবসায় জড়িত থাকার তথ্য পায় পুলিশ।

হটশটস অ্যাপের মাধ্যমে নাকি এ পর্নোগ্রাফির ব্যবসা চালাচ্ছিলেন রাজ কুন্দ্রা ও তার সঙ্গীরা। অ্যাপের যে স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে তাতে ‘মিসিং কন্ডোম’, ‘গেট ডার্টি’, ‘বিকিনি যোগা’র মতো কনটেন্ট দেখা যায়। সূত্রের খবর মতে, শর্ট ফিল্ম, এইচডি ভিডিও, ফটোশুটের ভিডিও আপলোড করা হতো। আবার লাস্যময়ী মডেলদের সঙ্গে নাকি লাইভ কমিউনিকেশন করার সুযোগও থাকত।

কিছুদিন আগেই এ মামলার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট আদালতে জমা দেয় মুম্বাই পুলিশ। অপরাধ দমন শাখার জমা দেওয়া ওই চার্জশিটে নথিভুক্ত হয়েছে শিল্পা শেঠি, শার্লিন চোপড়াসহ আরও ৪৩ জনের জবানবন্দি। শিল্পা নাকি জবানবন্দি দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, রাজ কুন্দ্রা কী করছেন তা তিনি একদমই জানতেন না। নিজের কাজেই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। 


একাত্তর/এসএ