যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলে বর্ণবিদ্বেষী হামলায় তিন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে হত্যার পর এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী ছিলেন বিশোর্ধ এক শ্বেতাঙ্গ তরুণ। একটি জেনারেল স্টোরে ঢুকে এবং গুলি চালানো শুরু করলে পুলিশের সাথে তার সংঘর্ষ শুরু হয়।
জ্যাকসনভিলের শেরিফ টি কে ওয়াটার্স বলেছেন, বন্দুকধারীর হাতে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী নিহত হয়েছেন।
শহরের মেয়র ডোনা ডিগান বলেছেন, এটি বর্ণবাদী বিদ্বেষ দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি ‘ঘৃণাপূর্ণ অপরাধ’।
শেরিফ জানিয়েছেন, বন্দুকধারী একটি হালকা ওজনের আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল এবং একটি হ্যান্ডগান বহন করছিল। তবে তার পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
তিনি একাই এ হামলায় জড়িত ছিলেন এবং আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি তার পিতামাতার সাথে জ্যাকসনভিলের ক্লে কাউন্টিতে থাকতেন এবং তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বেশ কয়েকটি বার্তা রেখে গেছেন। তার কাছে থাকা অন্তত একটি বন্দুকে একটি স্বস্তিকা চিহ্ন আঁকা ছিল।
ঐতিহাসিকভাবে কৃষ্ণাঙ্গপ্রধান এডওয়ার্ডস ওয়াটার্স ইউনিভার্সিটি থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে হামলাটি ঘটেছে।
ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস বন্দুকধারীকে ‘ভয়ংকর’ বলে অভিহিত করেছেন এবং এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
রিপাবলিকান পার্টির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ডিস্যান্টিস বলেন, ‘সে লোকেদের তাদের জাতির ভিত্তিতে টার্গেট করছিল, এটি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য।’
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে এ ঘটনার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
ওয়াশিংটন মার্চের ৬০তম বার্ষিকী এবং মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের বিখ্যাত ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ ভাষণের দিনেই এ হামলার ঘটনা ঘটলো। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ঐতিহাসিক মাইলফলক উপলক্ষে শনিবার রাজধানীতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন।