সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় ছয় কুর্দি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
সোমবার ভোররাতে পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আল-জোর প্রদেশের আল-ওমর তেলক্ষেত্রে একটি কমান্ডো একাডেমিতে এই হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)।
ইরাকের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হাশদ আশ-শাবি ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করেছে। আবার ইসলামিক রেজিট্যান্স ইন ইরাকও এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে প্রকৃতপক্ষে এই হামলাটি কে করেছে তা এখনো নিশ্চিত না।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ছত্রছায়ায় থাকা একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে এসডিএফ। ধারণা করা হচ্ছে, সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত নিকটবর্তী কোনো এলাকা থেকে ওই ড্রোন হামলা চালানো হয়।
হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। জঙ্গি গোষ্ঠীর ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সিরিয়ায় বর্তমানে ৮০০ মার্কিন সেনা রয়েছে।
২৮ জানুয়ারি জর্ডানের উত্তরপূর্বাঞ্চলে সিরিয়া ও ইরাক সীমান্ত সংলগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত ও ৪০ জনেরও বেশি সেনা আহত হয়।
এর প্রতিশোধ নিতে গত শুক্রবার মধ্যপ্র্যাচের দেশ ইরাক ও সিরিয়ায় ৮৫টির বেশি স্থানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এরমধ্যে সিরিয়ার চারটি ও ইরাকের তিনটি এলাকা।
যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় প্রায় ৪০ জন নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই মিলিশিয়া যোদ্ধা ছিলো।