চালের বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে। যারা কারসাজির চেষ্টা করবেন, এবার তাদের শিক্ষা দিতে চান খাদ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি, সিন্ডিকেট নিয়ে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বাধা এলে সেসব তথ্য প্রকাশ করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহবানও জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি চাল ও আটার দাম বেড়ে যাওয়া এবং বাজার ব্যাবস্থাপনা নিয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংলাপ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন খাদ্যমন্ত্রী।
চালের দাম বাড়া উচিত নয় উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রকৃতি অস্থির। আমাদের ব্যবসায়ীরাও অস্থির। দেশে চালের কোনো ঘাটতি নেই। তাই এখন চালের দাম বাড়া অনুচিত।
চালের বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী। তবে তিনি বলেন, তবু সিন্ডিকেট ভাঙছে না। চালের সিন্ডিকেট ভাঙতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
চালের বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁরা বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করছেন, তাঁদের নজরদারি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাজারে খোলা ও প্যাকেটজাত চাল সমান। তবু মানুষ প্যাকেটজাত চাল কিনছে। যারা হীরার মালা গলায় দেয় তাদের কাছে চালের দাম ৮০-৯০ টাকা হলেও কিছু যায় আসে না।
সাধন চন্দ্র বলেন, এখন থেকে খোলাবাজারে প্যাকেটে করে আটা বিক্রি করা হবে। প্যাকেট করার প্রক্রিয়া চলছে। ১ অক্টোবর থেকে খোলাবাজারে আটা বিক্রির কার্যক্রম চালু হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খোলা আটা বিক্রি হলে তা কালোবাজারি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জন্য দাম একটু বেশি পড়লেও সব আটা প্যাকেট করা হচ্ছে।
দেশে এই মুহূর্তে কোন খাদ্য ঘাটতি নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করা হচ্ছে। সিন্ডিকেট নিয়ে কোন সংবাদ প্রচারে বাধা এলে সাংবাদিকদের সেই তথ্য প্রকাশেরও আহবান জানান তিনি। বলেন, সেই তথ্য ধরেই তিনি ব্যাবস্থা নেবেন।
আরও পড়ুন: মিতু হত্যা মামলায় বাবুলসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
মিলগেটে চালের প্রতিদিনের নির্ধারিত দাম ওয়েবসাইটে দিতে বলা হয়েছে। মন্ত্রী মনে করেন এভাবে ভোক্তাদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয়া সম্ভব হবে।
দেশে মিনিকেট বলে কোনো চাল নেই। তবু ব্যবসায়ীরা মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত করছেন। যাঁরা মিনিকেটের নামে চাল বিক্রি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন করা হচ্ছে।
একাত্তর/আরএ