আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভোটের আগে-পরে মোট আট দিন বাহিনীগুলোকে মোতায়েন রাখার প্রস্তাবসহ নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ৩৪টি প্রস্তাব দিয়েছে সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা।
একইসঙ্গে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া আনসার সদস্যদের ভোটের দায়িত্বে না রাখাসহ গুজব নিয়ন্ত্রণে অ্যাপস তৈরির পরিকল্পনা, এছাড়া প্রতি ভোটকেন্দ্রে একটি করে ক্যামেরা রাখাসহ ভোট সুষ্ঠু করতে বেশকিছু পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ইসি'র একটি সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে ২১ অক্টোবর কমিশনের সাথে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের সভায় এসব বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়।
যেখানে নির্বাচনের আগের তিনদিন, নির্বাচনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভোটের মাঠে প্রায় এক লাখ সেনা সদস্য, দেড় লাখ পুলিশ ও অন্তত ছয় লাখ আনসার সদস্য ভোটের মাঠে থাকার কথা জানায় কমিশন।
ইসির সাথে আইনশৃঙ্খলার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সেই বৈঠকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার কথা জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ। সবমিলিয়ে ভোটের পরিবেশ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের শঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে ইসি।
ক্ষমতায় গেলে ধর্মীয় মূল্যবোধ অটুট রাখার অঙ্গীকার রাজনৈতিক দলগুলোর
‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া জরুরি’