দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ ভোট শেষ, চলছে গণনা

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল আটটায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। 

এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ উপজেলার ভোটকেন্দ্রে তেমন ভোটার দেখা যায়নি। ইসি থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৭ শতাংশ ভোট পড়লেও শেষতক কত ভোট পরলো তা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি। এর আগে গত আট মে প্রথম ধাপের নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৩৬ দশমিক এক শতাংশ।

এদিকে দেশের বিভিন্নস্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া ভোট সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোথাও দুই প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়েছেন, কোথাও জাল ভোট দিতে গিয়ে পুলিশে হাতে আটক, প্রকাশ্যে ভোটের ভিডিও ধারন করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়া খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া কিছু এলাকায় সকাল থেকে কেন্দ্রে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি, এসেছে এমন অভিযোগও।

এই ধাপে ২৪টি উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) এবং বাকি উপজেলাগুলোতে কাগজের ব্যালটে ভোট হয়। 

দ্বিতীয় ধাপে গত দুই এপ্রিল ১৬১ উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ হচ্ছে ১৫৬টিতে।

রাউজান ও কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হচ্ছে না। 

বান্দরবানের রুমা ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বরিশালের বাবুগঞ্জ, উজিরপুর ও বানারীপাড়া উপজেলার ভোট এ ধাপে থাকলেও তা পিছিয়ে চতুর্থ ধাপে নেওয়া হয়েছে।

এ ধাপে ২১ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ জন চেয়ারম্যান এবং সমানসংখ্যক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।