এবার সরকারি ও বেসরকারিভাবে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৮৭ হাজার ১০০ জন। আগামী ২৯ এপ্রিল শুরু হতে যাচ্ছে, হজের প্রথম ফ্লাইট। তবে তার আগেই একটি দুঃসংবাদ এলো ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে।
সৌদি আরবে হজ যাত্রীদের বাড়িভাড়া ও পরিবহণের অর্থ পরিশোধ না করাসহ কিছু এজেন্সির গাফিলতির কারণে বেসরকারিভাবে ১০ হাজার ৪৮৭ জনের হজ করা শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি জানান, যেসব এজেন্সি অনিয়মে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে সরকার।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন তিনি।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সৌদি সরকারের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সব হজযাত্রীর ভিসা কার্যক্রম শেষ করতে হবে। অথচ জেদ্দা কর্তৃপক্ষ কয়েক দফা সময় বৃদ্ধি করলেও ৯ হজ এজেন্সি এখনও হজযাত্রীদের বাড়িভাড়া ও পরিবহন খরচের টাকা অনলাইনে জমা দেয়নি। এতে ১০ হাজার ৪৮৬ হজযাত্রীর হজযাত্রা অনিশ্চিয়তায় পড়েছে।
তিনি জানান, বেসরকারি মাধ্যমের ৮১ হাজার ৯০০ জন হজযাত্রীর মধ্যে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মক্কায় ৭৪ হাজার ৬২৬ জন ও মদিনায় ৭৮ হাজার ৬৮৭ জনের বাড়িভাড়া নিশ্চিত হয়েছে এবং মক্কায় সাত হাজার ২৭৪ জন এবং মদিনায় তিন হাজার ২১৩ জন মোট ১০ হাজার ৪৮৭ জন হজযাত্রীর বাড়িভাড়া এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বাড়িভাড়া চুক্তি করেনি এমন ২১টি হজ এজেন্সিকে শোকজ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি জানান, ১২টি এজেন্সি পরে চুক্তি করলেও বাকি ৯ প্রতিষ্ঠান এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়মের বিষয় প্রধান উপদেষ্টাকেও জানানো হয়েছে। কোনো এজেন্সির দায় সরকার নেবে না। তবে কোনো এজেন্সির অবহেলা ও দায়িত্বহীনতাকে ধর্ম মন্ত্রণালয় বরদাস্ত করবে না।
ধর্ম উপদেষ্টা জানান, এবার সরকারিভাবে বিনা খরচে কোন ব্যক্তিকে হজে নিচ্ছে না সরকার।