করোনা মহামারী পেরিয়ে দুই বছর পর ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্যে
দিয়ে রাজধানীর হাউকোর্ট চত্বরে জাতীয় ঈদগা ময়দানে আদায় হলো ঈদের প্রধান জামাত।
তাই মোনাজাতেও দেশ ও দশের কল্যান কামনার পাশাপাশি মহামারী থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহ’র কাছে শুকরিয়া আদায়ের প্রার্থনাও।
বায়তুল মোকাররমের খবিত মাওলানা রুহুল আমিন প্রধান জামাতে ইমামতী করেন। এছাড়া বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের আরো পাঁচটি ঈদের জামাত আদায় হয়।
তবে, এবারো রাষ্ট্রপতি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে বঙ্গ ভবনের দরবার হলেই ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করেন।
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে দলে দলে জাতীয় ঈগদা ময়দানের দিকে আসতে থাকেন মুসুল্লীরা। নারী-পুরুষ শিশু সবাই যেনো দুই বছর পর ফিরে পেয়েছে তাদের পুরোনো আমেজ।
বৃষ্টির চোখ রাঙ্গানো উপক্ষে করেই কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্যে দিয়ে দলে দলে সারিবদ্ধভাবে ঈদগাহ ময়দানের ভেতরে প্রবেশ করেন মুসুল্লিরা।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হয় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিন ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন।
মোনাজাতে মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন বলেন, হে আল্লাহ তুমি জানো কোন অপশক্তি বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করার পরিকল্পনা করছে। তুমি তাদের এ ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দাও।
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার তওফিক দান করো। এদেশে সব ধর্মের মানুষ সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করে। শান্তি-সম্প্রীতি নষ্ট হয়, আমরা এমন উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহার করবো।
দোয়া মোনাজাতে বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনা এবং বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস দূর হওয়ায় শুকরিয়া আদায় করা হয়।
আরও পড়ুন: বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত
করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা পরস্পর মোলাকাত বা কোলাকুলি করে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মন্ত্রী, দক্ষিন সিটি কর্পরেশনের মেয়র, সরকারি বেসরকারী উচ্ছপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনৈতিকরাসহ সকল ধরনের মুসুল্লীর অংশগ্রহনে আদায় হয় ঈদের প্রধান জামাত।
বায়তুল মোকাররমে ঈদুল ফিতরের জামাত শুরুহয় সকাল সাতটায়। এরপর একে একে বেলা পৌনে এগারোটা পর্যন্ত পাচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় ।
ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে প্রতিটা জায়গায় নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে গত দুই বছরের জামাতের মত এবারে মুসুল্লিদের মুখে মাস্ক পড়তে তেমন একটা দেখা যায়নি।
একাত্তর/আরবিএস