ঈদ উৎসবকে ঘিরে পদ্মা সেতু সংলগ্ন এলাকাসহ রাজধানীর আশেপাশের
বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ঘরের বাইরে কিছুটা আনন্দময় সময় কাটাতে ছুটছে সবাই।
ছুটির সুযোগে স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখতে যাওয়া, ইলিশ খেতে মাওয়াঘাটে ছুটে যাওয়া মানুষের সংখ্যাটাও কম নয়। এ কারণে পুরো এলাকায় তৈরি হয়েছে যানজট।
স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে পদ্মার দুই পাড়েই এখন বিনোদন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ছুটে আসছেন।
সেখানেরই জুরাসিক পার্কের ড্রাগন ওয়ার্ল্ড। এলাকাজুড়ে অন্ধকার আর চারপাশে ড্রাগনের বিকট আওয়াজ। এমন অদ্ভুত জগৎ তৈরি হয়েছে ঢাকা মাওয়া রোডের শ্রীনগরের ওয়ান্ডার ল্যান্ডে।
সেই বিনোদন পার্কের ভেতরটা যতোখানি অন্ধকার, তার বাইরেটা পুরোই রঙিন। আকর্ষণীয় সব রাইডের আনন্দে মেতেছে শিশুরা।
একদিকে আধুনিক সব রাইড। অন্যদিকে রাজধানীতে বিনোদনের অভাব নিয়ে উদ্যোগের অভাব দেখছে মানুষ। অভিযোগ, রাজধানীতে বেড়াতে যাবার কোন জায়গাই নেই।
ওয়ান্ডার ল্যান্ডের মতো পদ্মা নদীর আশপাশে গড়ে উঠা পর্যটন স্পটগুলোও তাই এখন জনপ্রিয়। মাওয়া ঘাটের হিলসা রেস্টুরেন্টেও উপচে পড়া ভিড়।
আবার বন্ধু, পরিবার ও আর প্রিয়জন সাথে নিয়ে অনেকে শুধু পদ্মার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে যাচ্ছেন দূর দূরান্ত থেকে।
সেখানে ঘুরতে যাওয়া একজন জানান, তিনি দেশের বাইরে থাকেন, এবারে দেশে এসে পদ্মাসেতু দেখার সুযোগ হারাতে চাননি তিনি।
আরও পড়ুন: ওমিক্রনের দুই উপধরনে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাড়ছে করোনা
নদী তীরে দাঁড়িয়ে গোধুলীর সোনালী আলোয় নদী ও সেতুর সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। প্রিয় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করতে ভুল করছে না কেউ। সেই সাথে নৌভ্রমণ দিচ্ছে বাড়তি আনন্দ।
তবে শহর থেকে আসা বাড়তি গাড়ির চাপে পুরো এলাকাজুড়ে তৈরি হয় তীব্র যানজট। যা ঘুরতে যাওয়া মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
একাত্তর/আরবিএস