জলাবদ্ধতায় নাকাল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নতুন সংযুক্ত ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের নূরেরচালা এলাকা। জলাবদ্ধতায় এই এলাকায় প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছেন বাসিন্দারা।
আছে গ্যাস ও ওয়াসার পানির সমস্যাও। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সিটি কর্পোরেশনে ঢোকার পর তাদের ট্যাক্স বাড়লেও উন্নত হয়নি জীবনমান।
রাজধানীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের নূরেরচালা মসজিদ থেকে সাঈদনগর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা পয়োবর্জ্য আর নোংরা পানিতে তলিয়ে আছে।
সড়কটি দেখে মনে হতে পারে আবর্জনায় ভরা ঢাকার কোনো খালের ছবি। অভিযোগ আছে, বর্ষার সময় এই সড়কে নৌকায় চলাচল করতে হয়।
এলাকার বেশিরভাগ মানুষের পায়ে ক্ষত দেখা দিয়েছে। বাড়ি ছাড়ছেন ভাড়াটিয়ারা আর বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। আবার ম্যানহোল খোলা থাকায় ঘটছে দুর্ঘটনাও।
প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের চলাচলের এই সড়কটিতে দুপুরের দিকে পানির জোয়ার আর বিকেলে কিছুটা ভাটা পড়ে বলে জানান এলাকাবাসী।
টানা ছয় মাসের বেশি সময় ধরে জলজটের অবস্থা দেখে এলাকা ছাড়ছেন ভাড়াটিয়ারা। বন্ধ রয়েছে অনেক দোকানপাট। খাবারের দোকানগুলোও আর চালু নেই।
অথচ অভিজাত গুলশান বারিধারা লাগোয়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে নতুন সংযুক্ত হওয়া ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডটিতে এখনো পৌঁছেনি সিটি কর্পোরেশনের সুযোগ সুবিধা।
যদিও দিতে হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের বাড়তি কর। তিন চার বছর পেরিয়ে গেলেও উন্নয়ন কাজের কোন লক্ষণ নেই এলাকাটিতে। এনিয়ে বাসিন্দাদের রয়েছে বিস্তর ক্ষোভ।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া যেতে গুনতে হচ্ছে পাঁচগুণ বেশি টাকা
গ্যাস পানির চেয়ে এই এলাকার সবচেয়ে বড় সংকট জলাবদ্ধতা। এলাকার সব সড়কে খানাখন্দে জমে আছে পানি, তীব্র জলাবদ্ধতায় এখানে প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।
জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস, দ্রুত জলাবদ্ধতার সমাধান হয়ে যবে। যদিও এমন আশ্বাসের ওপর ভরসা রাখতে পারছে না এলাকাবাসী।
একাত্তর/এসজে