কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনির শরীরে আগুনে পোড়া ক্ষত পুরোপুরি সেরে উঠতে আরও মাসখানেক সময় লাগবে। এখন প্রতিদিন তাঁকে ড্রেসিং, ফিজিওথেরাপি, ব্যায়াম করতে হবে।
মঙ্গলবার জানা যাবে রনির অস্ত্রোপচার প্রয়োজন আছে কিনা। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের চিকিৎসকরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতাল এবং ইন্সটিটিউটের ১৩ তলা। এখানেই নিয়ম মেনে রনির দগ্ধ শরীরের বিভিন্ন অংশে ড্রেসিং ও থেরাপি চলছে।
কখনো হাতের ফিজিওথেরাপি, আবার কখনো শরীরের নানা অংশে পরীক্ষা বা কখনো পুরো শরীরকে ব্যায়ামের মধ্যে রাখা হচ্ছে।
গাজীপুরে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধ হবার কারণে শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সেরে উঠতেই রনির নিত্যদিনের এই চিকিৎসা ও কসরত।
১৬ সেপ্টেম্বরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান চলাকালে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে থমকে গেছে লোক হাসানো রনির আনন্দময় জীবন।
সেই ঘটনায় শ্বাসনালীসহ রনির শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে যায়। ঘটনার পর থেকে প্রতিদিন যন্ত্রণায় ছটফট ছাড়া কিছুই মনে নেই রনির।
আরও পড়ুন: মাসের পর মাস জলজটে নাকাল নূরেরচালা এলাকা
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালের প্রধান বার্ন সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলছেন, ধীরে ধীরে শঙ্কা কাটছে। চূড়ান্ত চিকিৎসা শুরু হবে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পর।
পুলিশ বিভাগ থেকে উন্নত সেবার জন্য বিদেশে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হলেও দেশেই চিকিৎসা নেয়ার পক্ষে অভিনেতা রনি। তবে সবসময় রনির পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে পুলিশ।
একাত্তর/এসজে