ডেঙ্গু ঝুঁকিতে আছে উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টরের কয়েকটি এলাকা। এলাকাবাসীর অভিযোগ তিনমাসেও মশা মারার কোনো কার্যক্রম দেখেননি তারা।
নিচু এলাকায় পানি জমে তৈরি হচ্ছে মশার প্রজনন ক্ষেত্র। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।
অন্যান্য সেক্টরের তুলনায় কিছুটা নিচু উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টরের হাসুর বটতলা এলাকা। বস্তির অধিকাংশ সড়কেই নেই পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা। তাই, সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক। সেই পানি জমে থাকে দিনের পর দিন।
প্রতিটি ঘরের আনাচে-কানাচে জমা পানি। সেই পানিতে বিভিন্ন প্রজাতির মশার লার্ভা।
এলাকাবাসী বলছেন, গেল তিন চার মাসেও তারা মশা নিধনের কোন কর্মী বা কোন তৎপরতা দেখেননি। অভিযোগ, পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে। আর সিটি কর্পোরেশন নেই তেমন কোন তৎপরতা।
মশার উৎপাতে সন্ধ্যার পর বের হতে পারেন না এলাকাবাসী। রাতে মশারি টাঙিয়েও সমাধান মিলছে না। এলাকার ঘরে ঘরেই জ্বরাক্রান্ত মানুষ।
একে তো বস্তি এলাকা। তার ওপর এখানে খাল, ডোবা, নালার পরিমাণও বেশি। যেখানে কখনও কোন পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়নি।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাইরের ডেঙ্গু রোগীর চাপ কমানোর পরামর্শ
এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর ফরিদ আহম্মদের সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
একাত্তর/আরএ