অতিরিক্ত রোগীর চাপে মুগদা হাসপাতালে বর্তমানে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি বন্ধ রয়েছে। এদিকে অবকাঠামো থাকলেও, চিকিৎসক ও নার্সের অভাবে মহাখালীর ডিএনসিসিসহ বেশ কিছু হাসপাতালে এখনও অনেক বিছানাই ফাঁকা।
তাই সব হাসপাতালে সমানভাবে রোগী বণ্টন ও ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগীর চাপ কমানোকে জরুরি বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন গড়ে বারোশ’ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। বিপরীতে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়ছে নয়শ’ জন। অর্থাৎ, হাসপাতালগুলোতে দৈনিক তিনশ’ করে রোগী বাড়ছে।
সেই চাপে রীতিমতো টালমাটাল রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা। রোগীর চাপে মুগদা হাসপাতালে নতুন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি বন্ধ রয়েছে। তাই অন্য হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর ভিড়।
মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে সোমবার পর্যন্ত প্রতিদিন ৬০-৭০ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছিলো। কিন্তু গত দুদিন একশোরও বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে।
রোগী ও তাদের স্বজনরা বলছেন, অনেক চেষ্টা করেও অন্য কোনও হাসপাতালে গিয়ে সিট যোগাড় করতে পারছেন না তারা।
হাসপাতালটিতে আটশ’ রোগী ভর্তির মতো অবকাঠামো আছে। কিন্তু চিকিৎসক ও নার্স সংকটে আপাতত সাড়ে চারশোর বেশি রোগী রাখাতে পারছে না ডিএনসিসি হাসপাতাল। তাই, অনেক শয্যাই এখনও ফাঁকা।
হাসপাতালের পরিচালক কর্নেল এ কে এম জহিরুল হুসাইন খান বলেন, রোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেলে নতুন ওয়ার্ডগুলো খুলে দেয়া হবে। সেইসাথে নতুন চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেয়া হলে আটশ’ পর্যন্ত রোগী নিতেও সমস্যা হবে না।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিক্যালসহ রাজধানীর অনেক হাসপাতাল থেকেই রোগীদের ডিএনসিসি হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী দু’দিনের মধ্যে সব শয্যা পূর্ণ হয়ে যাবে। তাই সব হাসপাতালে সমানভাবে রোগী বণ্টনের পরামর্শ তার।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, হাসপাতালে ২৩৬১ জন
ঢাকার বাইরে থেকেও অনেক রোগী হাসপাতালে আসছেন। আতঙ্কিত হয়ে অল্প জ্বরেই অনেকে ছুটছেন হাসপাতালে, যা হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলছে।
একাত্তর/এসজে
