রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫ শতাধিক আটক

কঠোর বিধি-নিষেধের প্রথমদিনে রাস্তায় বের হওয়া, নিয়মভঙ্গ করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ৪৯৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে আটজনকে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দুপুর ৫টা পর্যন্ত অভিযানের পর এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম।

ডিএমপি সূত্র বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় ডিএমপির আটটি বিভাগ। অভিযানে ২৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৪৯৭ জনকে, সাজা দেয়া হয়েছে ৮ জনকে। ২৭৪ জনকে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা এবং ২৬টি দোকানকে ১ লাখ ২ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রেকারিং করা হয়েছে ৭৭টি গাড়ি, আর জব্দ করা হয়েছে ছয়টি। বেশিরভাগ মামলাই করা হয়েছে ওয়ারী, রমনা ও মতিঝিল বিভাগে। এ তিনটি বিভাগে যথাক্রমে ৭০ হাজার, ৭৯ হাজার ৩৫০ ও ৬০ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন: রাজধানীর প্রবেশদ্বারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রমনায় দু’জনকে জরিমানা করা হয়েছে ৪০০ টাকা করে। মামলা করা হয়েছে ৪৫টি গাড়ির বিরুদ্ধে। লালবাগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৮ জনকে। তিনজনকে জরিমানা করা হয়েছে ৩০০ টাকা। মতিঝিল থেকে আটক দুই ব্যক্তিকে মোট জরিমানা করা হয়েছে ১১০০ টাকা ও ১৫টি দোকানকে মোট জরিমানা করা হয়েছে ২০ হাজার ১৫০ টাকা।



ওয়ারী থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ১৬ ব্যক্তির কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে এক হাজার ৭০০ টাকা। এছাড়াও ১৫টি গাড়ির মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। তেজগাঁও থেকে আটক করা হয়েছে ২৩২ জনকে। এ এলাকায় কারো থেকে জরিমানা আদায় করা হয়নি।

আরও পড়ুন: ‘লকডাউনে’ কঠোর থাকবে পুলিশ

মিরপুর থেকে ৭৫ জনকে আটক করা হয়েছে ও ৩০ জনকে জরিমানা করা হয়েছে ২৬ হাজার ৫৫০। ৯৮টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলায় জরিমানা করা হয় ২৫ হাজার, রেকারিং দেয়া হয় ১১টি গাড়ি ও ৪টি গাড়ি জব্দ করা হয়।

গুলশান থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে ও ১৪ জনকে জরিমানা করা হয় ১৩ হাজার ১০৭ টাকা। ২১টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলায় জরিমানা করা হয় ৮৯ হাজার টাকা। উত্তরা থেকে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৪ জনকে জরিমানা করা হয় ১৪০০ টাকা। এছাড়াও দুইটি দোকানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৮টি গাড়ির মামলায় ৬৭ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা ও ৫৭টি গাড়ি রেকারিং করা হয়।

প্রসঙ্গত, বুধবার (৩০ জুন) বিধি-নিষেধের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। এতে বলা হয়েছে আজ থেকে চলমান বিধিমালা বলবত থাকবে ৭ জুলাই পর্যন্ত। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।


একাত্তর/আরএ