করোনার টিকা নিয়ে সরকারের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। সংক্রমণ রোধে প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীদেরও টিকার আওতায় আনতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র,কানাডাসহ বেশকিছু দেশে কম বয়সীদের ফাইজার কিংবা মডার্না টিকা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও সেই উদাহারন অনুসরনের কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
সেই সাথে প্রত্যন্ত এলাকার কিশোর কিশোরীদের জন্য সিনোফার্মের টিকাকে বিবেচনায় রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
অধিকাংশ প্রাপ্তবয়ষ্কদের করোনার টিকার আওতায় আনার পর উন্নত বিশ্বের দেশগুলো এখন কিশোর-কিশোরীদেরও টিকার আওতায় আনছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ৭২ লাখ কিশোর-কিশোরী দুই ডোজ টিকা পেয়েছে। কানাডাতে এই সংখ্যাটা ১৬ লাখের বেশি। বাংলাদেশেও ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেয়ার কথা ভাবছে সরকার।
১৮ বছরের কম বয়সীদের করোনা টিকা দেবার ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোন নির্দেশনা না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সেটি অনুমোদন করেছে।
আরও পড়ুন: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারো পর্যটকের ভিড়
বাংলাদেশেও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়, ১৮ বছরের নীচে থাকা প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কোটি কিশোর-কিশোরীদের টিকার আওতায় আনার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
যুক্তরাষ্ট্রে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের জন্য ফাইজার, মডার্না আর জনসনের টিকা প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে এফডিএ।
বাংলাদেশেও কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া ফাইজার বা মডার্না দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফাইজারের মত টিকা সংরক্ষণের উপায় না থাকায় সিনোফার্ম বা অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা দেয়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া হিসাবে, সবশেষ ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭১০ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০ শতাংশ প্রায়। একই সময়ে মারা গেছেন ৬৫ জন, যাদের মধ্য ঢাকায় সর্বোচ্চ ১৭ জন মারা গেছেন এদিন।
একাত্তর/আরএইচ