নির্বাচনী ব্যস্ততার মাঝেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ছুটে গেলেন মাঠে। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশের দিনে নাম্বার ওয়ান ঘাম ঝড়িয়েছেন। ইনজুরি থেকে সেরে উঠছেন, ফিরতে চান বিপিএল দিয়ে। তাই নির্বাচনের ঢাকঢোলের মাঝেই মনোযোগী ফিটনেস ট্রেনিংয়ে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়েছে শুক্রবার সকাল আটটায়। এরই মাঝে ফাঁকা সময় পেয়েই অনুশীলন করতে মাঠে নেমে পড়েন মাগুরা-১ আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানো বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন সাকিব। সবাইকে অবাক করে বিকাল ৪টা নাগাদ তিনি ছুটে যান মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে।
গত কয়েক দিনে সাকিব বনে গিয়েছিলেন পুরোদস্তুর একজন রাজনীতিবিদ। পথে প্রান্তরে ঘুরে বেরিয়েছেন ভোটেরের মন জয়ে। প্রচণ্ড ব্যস্ততা আর সময়ের অভাবে অনুশীলন থেকে ছিলেন দূর। প্রথমবার ভোটের লড়াই বলে কথা, তার উপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, সাত জানুয়ারি মারতে হবে ছক্কাও।
অথচ বিপিএল সামনে। ইনজুরি থেকে ফিরতে রিহ্যাবে মনোযোগী হতে হবে। অপেক্ষায় ছিলেন সুযোগের, মওকা পেয়েই নাম্বার ওয়ান পুরোনো রূপে। যত ব্যস্ততা কিংবা বাধাই থাকুক, নিজেকে প্রস্তুত রাখতে আপোষ নেই কোন কিছুর সাথে। সাধারণের সঙ্গে এখানেই পার্থক্য সেরাদের। আর সাকিব বিশ্বসেরার কাতারে।
প্রচার শেষ তাই ব্যস্ততা নেই ভোটের মাঠে। শুক্রবার পড়ন্ত বিকেলে মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে হাজির সাকিব। ফিটনেস ফিরে পেতে রানিংয়ের পর প্যারাসুট রানিংও করতে দেখা যায় সাকিবকে। ৬ নভেম্বর বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলে মাঠের বাইরে আঙ্গুলের ইনজুরিতে।
সেই ইনজুরি ভালোর দিকে, তবে শরীরে মেদ জমেছে। সেটর ঝেড়ে ফেলতেই ঘাম ঝরালেন। যে করেই হোক মাঠে ফিরতে চান বিপিএলের শুরু থেকে রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে। তারচেয়ে বড় টার্গেট সাকিবের সামনে, টি-টোয়ন্টি বিশ্বকাপ যে এ বছরেই।
নির্বাচনী প্রচারণায় শুরু থেকেই সাকিবের পাশে ছিলো নাম করা সব ক্রিকেটার। মাগুরায় ক্রিকেট মাঠে বাকিদের না পেলেও তার সাথে ছিলেন নাজমুল অপু ও রনি তালুকদার।
উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ম্যাচ খেলেছিলেন সাকিব। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে আঙুলে চোট পান তিনি, যদিও তা নিয়েই টাইগার অধিনায়ক পুরো ম্যাচ খেলেছিলেন। পরে আঙুলে চিড় ধরা পড়ে, যে কারণে ৪-৬ সপ্তাহের জন্য সাকিব ছিটকে পড়েন মাঠের বাইরে। তাই ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ছিলেন না দলে।