দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় তিন কোটি টাকা খরচ করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দলটির সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিলো।
সোমবার নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী জমা দেয় দলটি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের কাছে খরচের বিবরণী জমা দেয়। ভোট শেষে ৯০ দিনের মধ্যে দলীয় ব্যয় বিবরণী জমা দেয়ার নিয়ম রয়েছে।
পরে সাংবাদিকদের জাফর উল্লাহ বলেন, আমাদের সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ের সীমা ছিলো। নির্বাচনে তার থেকে ব্যয় কম হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান জানান, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মোট নির্বাচনী ব্যয় হয়েছে দুই কোটি ৭৬ লাখ ৭৮ হাজার ১২০ টাকা। প্রার্থীরা নিজ থেকে ব্যয় করে। তাই আমাদের ব্যয় কম হয়। পুরো ব্যয়টা দলীয় হয় না। অন্য দলের যেখানে ১০ টাকা লাগে, সেখানে আমাদের দুই টাকা লাগে। পোস্টার, জনসভা, পোস্টার, প্রচার ইত্যাদি খাতে ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি।
দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, নিবন্ধিত দল হিসেবে আমরা প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেব। আজ নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণী জমা দেয়া হয়েছে। আয়ের বিবরণী বার্ষিক অডিট রিপোর্টে দেয়া হয়ে থাকে।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচনে এক কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজর টাকা খরচ হয়েছিলো গত চার ময়োদে ক্ষমতায় থাকা দল আওয়ামী লীগের।
এসময় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, অর্থ পরিকল্পনা উপ-কমিাটর সদস্য জাফরুল শাহরিয়ার জুয়েল, সংস্কৃতি উপ-কমিটির সদস্য নুরুল আলম পাঠান উপস্থিত ছিলেন।
