কমিশনের পক্ষে সব সংস্কার সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ১২ দলীয় জোট। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে না থাকা ও নতুন জন্ম নেয়া দলগুলোকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে আমন্ত্রণ জানানোর বিরোধিতাও করেছে জোটটি।
রোববার (৪ মে) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ১২ দলীয় জোটের নেতারা।
১৬৬ সংস্কার প্রস্তাবের ১১০টিতে একমত হলেও দলটির দ্বিমত ছিলো ৪৮ প্রস্তাবে। আংশিক মত ছিলো ৮টিতে। তবে এবার আরও কিছু বিষয়ে একমত হতে পেরেছে দলটি।
বৈঠক শেষে দলের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, কমিশনের পক্ষে সব সংস্কার সম্ভব নয়। তাই, প্রয়োজন নির্বাচনের।
এসময়, অপেক্ষাকৃত নতুন ও আন্দোলনে ছিলো না, এমন দলকে সংলাপে ডাকার বিরোধিতা করেছে জোটিটি।
দলের মুখপাত্র বলেন, সংসদের মেয়াদ চার বছরের বিরোধিতা করেছি। ভোটারদের বয়স ১৮ রাখার দাবি জানিয়েছি। নির্বাচনে অংশ নেবার বয়স ২৫ রাখার প্রস্তাব দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছর অনেক দল নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছে। তাদের ডাকার বিষয়ে মন্তব্য করেছি, বিরোধিতা করেছি। নতুন দলগুলোকে ডাকার বিষয়েও বিরোধিতা জানিয়েছি। নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের বিরোধিতা করেছি।
দেরি না করে সংস্কার শেষ করে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি বলেও জানান তিনি।
এর আগে সকালে বৈঠকের শুরুতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, শুধু কমিশন নয়, সব রাজনৈতিক দলকেই এগিয়ে আসতে হবে নিজেদের মধ্যে ঐকমত্য তৈরিতে।
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রথম ধাপের আলোচনা শেষ হবে। ঐকমত্য গড়তে রাজনৈতিক দলগুলোকে সহযোগী শক্তিগুলোর সাথে আলোচনা করার আহবান জানান তিনি।
এসময় ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা বিলম্বিত হোক তা চায় না ১২ দলীয় জোট।