অপ্রতিরোধ্য সিলেটের টানা তৃতীয় জয়

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছিল মাশরাফিবাহিনী। এরপর সাকিবের বরিশালকে পাল্টা জবাব দিয়ে ১৯৫ রান তুলে নেন তারা। এবার চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লাকেও পাঁচ উইকেটে হারালো সিলেট।

কোন ভিনদেশি কোচ নয়, বিপিএলে এটাই প্রথম কোন দলের সম্পূর্ণ কোচিং স্টাফ বাংলাদেশি। ফলাফলটাও দারুণ, তিন ম্যাচের সবগুলোতেই জয়।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) মিরপুরে বিপিএলে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয় সিলেট স্ট্রাইকার্স। টস জিতেই আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অধিনায়ক মাশরাফি।

দুর্দান্ত শুরুর আভাষ দিয়েও চার বলে ৮ রান করে থিসারা পেরেরার বলে ফেরেন লিটন কুমার। এরপর ডেবিট মালানের ধীরগতির ৩৯ বলে ৩৭, সৈকত আলীর ২০ এবং জাকের আলির ৫৭ রানে ভর করে ১৫০ রানে লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয় ইমরুল কায়েসের দল।

সিলেটের হয়ে মাশরাফি, ইমাদ ওয়াসিম একটি করে এবং পেরেরা, মোহাম্মদ আমির দুইটি করে উইকেট তুলে নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ হারিস ফেরেন দলীয় ১২ রানে। ধীরগতিতে খেলা শান্ত ফেরেন ১৯ রানে।

তবে তরুণ ক্রিকেটার তৌহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত ৫৬ রানের ইনিংস সিলেটের জয়ের পথ অনেকটাই সহজ করে দেয়।

এদিকে আরেক তরুণ ক্রিকেটার জাকেরের ব্যাট আজও হেসেছে, ইনিংস লম্বা করতে না পারলেও ১০ বলে ২০ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

সবশেষ ২৮ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিক।

কুমিল্লার হয়ে আবু হায়দার একটি এবং মোহাম্মাদ নাবী, খুশদিল শাহ দু’টি করে উইকেট নেন।

১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে মাত্র ১৭ ওভার চার বল খেলতে হয় স্ট্রাইকার্সদের।

ম্যাচ হারার কারণ হিসাবে ইমরুল কায়েস বলেন, আমরা পাওয়ারপ্লেতে অনেক উইকেট হারিয়েছি ফলে বোর্ডে যথেষ্ট রান আমরা তুলতে পারিনি। জাকের আলী ভালো ব্যাটিং করেছেন, তাকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।

আরও পড়ুন: অ্যাটলেটিকোর মাঠে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়েই ঘরে ফিরলো বার্সেলোনা

এদিকে ম্যাচজয়ী সিলেটের অধিনায়ক মাশরাফি বলেন, এই ফরম্যাটে মোমেন্টাম ধরে রাখাটা জরুরী, আমরা সঠিকভাবেই এগুচ্ছি। উইকেট ভালো ছিল। আমাদের টার্গেট ছিলো তাদের ১৫০-১৬০ রানের মধ্যে আটকানো এবং তা করতে পেরেছি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া: ১৪৯/৬ (২০)

সিলেট স্ট্রাইকার্স: ১৫০/৫ (১৭.৪)

ফলাফল: সিলেট স্ট্রাইকার্স ৫ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: তৌহিদ হৃদয়


একাত্তর/আরএ