দক্ষিণ আফ্রিকায় চলমান নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকা বাংলাদেশ দলের একজন নারী ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তা চেয়ে বড় ভয়ঙ্কর বিষয়, ফিক্সিংয়ের প্রস্তাবটি এসেছে দলের বাইরে থাকা আরেক নারী ক্রিকেটারের কাছ থেকে।
বিসিবির উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ফিক্সিং প্রস্তাবের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, জাতীয় দলের বাইরে থাকা এক নারী ক্রিকেটার বিশ্বকাপ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকা একজন ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ে প্রস্তাব দেন। তবে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব ওই নারী ক্রিকেটার রাজী হননি।
ফিক্সিং নিয়ে দুই নারী ক্রিকেটারের একটি অডিও ক্লিপও ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে ফিক্সিং প্রস্তাব দেওয়ার তথ্যও রয়েছে। তবে যাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তিনি রাজি হননি।
ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অবগত রয়েছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন, বিসিবির উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।
গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমাদের খেলোয়াড় যখন প্রস্তাব পায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় তখন সে ম্যানেজমেন্টকে বিষয়টি জানায়। এরপর সেখান থেকে বিসিবিকে জানানো হয়। পরবর্তীতে বিসিবি আইসিসিকে জানিয়েছে। আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট (আকসু) এখন বিষয়টা দেখছে।
আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
কোন ক্রিকেটারকে ম্যাচ বা স্পষ্ট ফিক্সিং বা ম্যাচের কোন তথ্য ফাঁস করার প্রস্তাব দেওয়া হলে দ্রুতই তা দুর্নীতি বিভাগকে জানানোর নিয়ম রয়েছে। তবে দুর্নীতির প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।
প্রসঙ্গত, জুয়াড়িদের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েও তা সংশ্লিষ্টদের না জানানোর অপরাধে ২০১৯ সালে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এই দুই বছরের মধ্যে এক বছর ছিল স্থগিত নিষেধাজ্ঞা।
একাত্তর/আরএ