আবু নাঈম সোহাগ নিষিদ্ধের তিন মাস পেরিয়ে গেছে। এরপরও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে আরও সময় চাইলো বাফুফে। ফেডারেশন থেকে পদত্যাগের আবেদন করেও, প্রধান হিসাব রক্ষক আবু হোসেন ও অপারেশন্স ম্যানেজার মিজানুর রহমান এখনো কাজ করে যাচ্ছেন বহাল তবিয়তে।
এরই মাঝে, সেপ্টেম্বরে ছেলে ও মেয়েদের ৭ টি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভালো মানের ফুটবলার খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে সংস্থাটি।
১৪ এপ্রিল ফিফা কর্তৃক বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ নিষিদ্ধের পর ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে বাফুফে তদন্ত প্রতিবেদন দেবার কথা বলেছিলো।
এরপর কেটে গেছে দুই ঈদ, অনেক গবেষণা- হিসাব নিকাশ শেষে পাশ হয়ে গেছে দেশের অর্থ বাজেট। এমনকি মেসি ফ্রান্স ছেড়ে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু বাফুফের ৩০ দিন আর শেষ হয়নি। তিন মাস পেরিয়ে গেছে। ৯ টা মিটিং করে বাফুফে আরও সময় চেয়েছে।
সোহাগের দুর্নীতি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের আগেই বাফুফে থেকে পদত্যাগ করেন প্রধান হিসাব রক্ষক আবু হোসেন ও অপারেশন্স ম্যানেজার মিজানুর রহমান।
বাফুফে তাদের শূন্য পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য বিজ্ঞাপনও দেয়। কিন্তু অবাক করার মত বিষয় এই দুই জনই বহাল তবিয়তে অফিস করছেন।
এদিকে, নানা বিতর্কে জর্জরিত বাফুফের সেপ্টেম্বরে ব্যস্ত মিশন। ছেলেদের ৫ টা আর মেয়েদের ২ টা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হিমশিম খাচ্ছে।
দেশে অনুশীলনের জন্য আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন পর্যাপ্ত মাঠ নেই। বসুন্ধরা কিংস এবং আবাহনীর ফুটবলাররা এসিএল ও এএফসি কাপ খেলতে যাওয়ায় তাদের অনেককেই পাচ্ছে না জাতীয় দল এটা নিশ্চিত। পাইপ লাইন নিয়ে বাফুফের পূর্ব পরিকল্পনা অনুপস্থিত। তবে ভালো ফুটবলার শূন্যতাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন কাজী নাবিল।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের কন্ডিশনিং ক্যাম্পে রিয়াদকে নিয়ে সংশয়!
এরই মধ্যে নয়া খবর। সেপ্টেম্বরে এশিয়ান গেমসে খেলতে যাবার আগে ঘরের মাঠে দুটি ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে চায় বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বেশ কটি দেশের সঙ্গে হয়েছে আলোচনা। ২৭ জুলাইয়ের পর পাওয়া যাবে প্রতিপক্ষ কে হচ্ছেন তার ধারনা।
এশিয়ান গেমসের জন্য জাতীয় দল আর অনূর্ধ্ব-২৩ দল মিলিয়ে ২২ জনের একটা প্রাথমিক তালিকা করেছে বাফুফে। ২০ আগস্ট তাদের নিয়ে ঢাকায় অথবা সিলেটে শুরু হবে ক্যাম্প।
একাত্তর/এসজে