তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের গোয়ালিয়রের মাঠে ৭ উইকেটে হেরেছিলো শান্তরা। তাই সিরিজ বাঁচাতে আজ জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। কিন্তু শুরুতেই ভারতের রানের পাহাড়ে চাপা পড়েছে বাংলাদেশ। নিতিশ রেড্ডি ও রিংকু সিংয়ের জোড়া ফিফটিতে এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছে ভারত।
বুধবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২১ রান করেছে ভারত। বাংলাদেশের লক্ষ্য ২২২ রান।
ব্যাটিংয়ে নেমে মেহেদি হাসান মিরাজের প্রথম ওভারে ১৫ রান তুলে নেয় ভারত। তবে দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। তাসকিন আহমেদের বলে মিড অফে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দেন সানজু স্যামসন। ৭ বলে ১০ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
প্রথম উইকেটের পর দ্বিতীয় উইকেট হারাতেও সময় লাগেনি ভারতের। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে আবারও উইকেট হারায় ভারত। এবার সাজঘরের পথ ধরেন আরেক উদ্বোধনী ব্যাটার অভিষেক শর্মা। তানজিম সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে যান। ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ১৫ রান।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। মুস্তাফিজুর রহমানের কাটারে শান্তর হাতে ধরা পড়েন তিনি। ডানহাতি এই ব্যাটার করেন ১০ বলে ৮ রান। ভারতের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৪১ রান।
তবে পরপরই বদলে যায় ম্যাচের সমীকরণ। নিতিশ রেড্ডি ও রিংকু সিংয়ের অবিশ্বাস্য এক জুটিতে বড় সংগ্রহের দিকে এগোতে থাকে ভারত।
এই দুই ব্যাটার গড়েন ৪৯ বলে ১০৮ রানের বিশাল জুটি। মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূরণ করেন নিতীশ। ২১৭.৬৪ স্ট্রাইক রেটে ৩৪ বলে ৪টি চার ও ৭ ছক্কায় ৭৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নেন এই ব্যাটার।
ফিফটি পেয়েছেন রিংকুও। সাজঘরে ফেরার আগে ২৯ বলে ৫৩ রান করেছেন এই হার্ডহিটার।
এরপরও রানের চাকা থেমে থাকেনি ভারতের। ১৯ বলে ৩২ রান এসেছে হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাট থেকে। আর শেষ দিকে পরাগ ৬ বলে করেছেন ১৫ রান।
বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৩ উইকেট পেয়েছেন রিশাদ হোসেন। তাছাড়া ২টি করে উইকেট পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম সাকিব ও তাসকিন আহমেদ।