দুই মাহমুদের ম্যাজিকে বাংলাদেশে অভাব কাটবে লেগস্পিনারের। পাকিস্তানি স্পিন কোচ শাহেদ মাহমুদ পুরো দেশ চষে বের করেছেন প্রতিভাবান রিস্ট স্পিনার। পেছনের কারিগর খালেদ মাহমুদ সুজন।
রিশাদের পর আগামী দু’এক বছরের মধ্যে বাংলায় শুধু লেগ স্পিনারের সংকটই কাটবে না, দেশের ক্রিকেট পাবে এক গাদা লেগ স্পিন ম্যাচ উইনার। গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদের এমনটাই বিশ্বাস।
ঝুম বৃষ্টিতেও রিশাদ হোসেনের প্র্যাকটিস থামছে না; ডেডিকেশন, ডিটারমেনেশন আর ডিসিপ্লিন-থ্রিডির সমন্বয়ে দিনে দিনে ধারালো হচ্ছে ওর লেগস্পিন। বাংলার প্রথম রিস্ট স্পিনার হিসেবে সুযোগ পেয়ে ফিরেছেন বিশ্বকাপ মাতিয়ে। কিন্তু রিশাদের পর কেউ আসছে কি? হ্যাঁ আসছে, যার মূল কারিগর রিশাদকে বোলিং টিপস শাহেদ মাহমুদ।
নাম শুনে চেনার কথা না, কিন্তু এই পাকিস্তানি নিজের নাম না কাজ দিয়েই পুরো দেশ থেকে তুলে এনেছেন অসাধারণ প্রতিভাধর ৮০ জন লেগ স্পিনার। সেখান থেকে বাছাই করা ১৬ জনকে নিয়ে কাজও করেছেন জাতীয় দলের সাবেক স্পিন কোচ মুস্তাক। শাহেদের তুলে আনা লেগ স্পিনারদের দেখে মুস্তাক বলেন ওরা একেকজন হবে ম্যাচ উইনার।
গেম ডেভেলপমেন্টের কোচ হিসেবে শাহেদ মাহমুদের অসাধারণ আর কঠিন এক মিশন ছিলো পুরো দেশ চষে ওদের উঠিয়ে আনা, চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদের মস্তিষ্ক থেকে এসেছে যে ভাবনাটা।
অনেকটা নীরবে নিভৃতেই বাংলার ক্রিকেটে উঠে আসছে নতুন নতুন লেগ স্পিনার। চলছে পরিচর্যা। খুব শিগগিরই বাংলাদেশে লেগ স্পিনারদের নিয়ে সংকট কিংবা কোন অভাব থাকবে না? বিশ্ব ক্রিকেটে নাকি রাজত্ব করবে এদেশের রিস্ট স্পিনাররাও।
বিসিবি চেষ্টায় আছে মুস্তাক আহমেদকে আবারো বাংলাদেশের লেগ স্পিন কোচ করে ফিরিয়ে আনতে। যার ছোঁয়ায় বদলে যেতে পারে উঠতি এই লেগ স্পিনারদের ভবিষ্যৎ। এতে করে, বাংলাদেশের ক্রিকেটে কেটে যাবে লেগ স্পিনারদের সংকট।