সজীব ভূঁইয়াসহ চার জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার আর বিটকয়েনে অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগে এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জালে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আসিফসহ আরো চার জনের বিরুদ্ধ্বে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বদলি, কেনাকাটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার, দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ অনুসন্ধানে এরইমধ্যে ৪ সদস্যের অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে বলেও জানা গেছে। বিশেষ টিমটির নেতৃত্বে রয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালাম।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্যরা হলেন- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে জমা পড়েছে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ। মন্ত্রণালয়জুড়ে একক আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডারবাজি, স্বজনপ্রীতি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গঠনে বেআইনি হস্তক্ষেপের তথ্য উঠে এসেছে দুদকের হাতে। উপ-পরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের বিশেষ টিম ইতিমধ্যেই এই মেগা দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনকে সামনে রেখে কেনাকাটা ও নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন সাবেক এই উপদেষ্টা। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধ বিটকয়েন লেনদেন এবং বিদেশে বিপুল পরিমাণ টাকা পাচারের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে কমিশন। অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা মিললেই জারি করা হতে পারে, তার  দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও নোটিশ।

দুদক সূত্র আরও জানায়, সূত্র আরও জানায়, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা হওয়ার সুবাদে ক্রিকেট বোর্ড গঠনে সরাসরি হস্তক্ষেপের মতো অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ আছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের মাধ্যমে বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন।