জাতীয় জাদুঘরের সঙ্গে এক হলো শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জননীর ত্যাগ ও সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধাপরাধী বিচারে তার লড়াইয়ের ইতিহাস জানবে নতুন প্রজন্ম।
মুক্তিযুদ্ধে পরবর্তী প্রজন্মের অতল অনুপ্রেরণার উৎস শহীদ জননীর ৯৫তম জন্মদিন ছিলো শুক্রবার। পরদিন জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর হলো ২০০৭ সালে পারিবারিক উদ্যোগে যাত্রা করা ‘শহীদ জননী জাহানার ইমাম স্মৃতি জাদুঘর'। এ উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে আরো নিবিড়ভাবে জানাবে শহীদ জননীর লড়াই আর শহীদ রুমির আত্মত্যাগ।
এ নিয়ে আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, এই জাদুঘর আমি মনে করি, সরকারি উদ্যোগে নতুন প্রজন্মকে ব্যাপকভাবে আনার উদ্যোগ নেবে।
জাহানারা ইমাম ছিলেন ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। মুক্তিযুদ্ধে গিয়ে তার সন্তান রুমী আর ফেরেননি। স্বামীও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে শহীদ হন। এর পরও তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছেন, পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।
শহীদ জননীর ছেলে সাইফ ইমাম জামি বলেন, বাড়িটা ভেঙে একটা ফ্ল্যাট কমপ্লেক্সে এই জাদুঘর বানানো হয়। যাদের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছে তাতে বুঝলাম এটার একটা স্থায়ী জায়গা দরকার।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান শহীদ জননীর লেখা বই ‘একাত্তররের দিনগুলি’ পাঠ্যপুস্তকে অর্ন্তভূক্ত করার দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, এই জাদুঘরে যেনো শিক্ষার্থীদের আনা হয়।
আয়োজনে একাত্তরের দিনগুলো থেকে পাঠ করে শোনানো হয়।
শেষটা ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পরিবেশনায় পূর্ব দিগন্তে বাঁধন ছেঁড়ার আহ্বানে। যে আহ্বানের প্রতিভূ হয়ে আছেন শহীদ জননী জানারা ইমাম।
